তারেক নূরুল হাসান: এ বছরের পহেলা বৈশাখে ত্রিশ বছর পূর্ণ হলো বাংলা গানের ব্যান্ড শিরোনামহীনের। তিন দশক ধরে নতুন প্রজন্মের শ্রোতাদের কাছে জনপ্রিয় গান নিয়ে হাজির হয়েছেন তারা। আজকের সাক্ষাৎকারে আমরা কথা বলেছি শিরোনামহীন ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাতা সদস্যদের অন্যতম জিয়াউর রহমান জিয়ার সঙ্গে। SBS বাংলার পক্ষ থেকে সাক্ষাৎকারটি গ্রহণ করেছি আমি তারেক নুরুল হাসান। [ইনট্রো মিউজিক]
জিয়াউর রহমান জিয়া, SBS বাংলায় আপনাকে স্বাগত জানাই। আগামী সপ্তাহেই শিরোনামহীন ব্যান্ড সিডনিতে এসে পারফর্ম করছে। এ ব্যাপারে আপনার অনুভূতি কি?
জিয়াউর রহমান জিয়া: থ্যাংক ইউ। জি, অবশ্যই অনুভূতি তো আমাদের, আমরা লাইভ পারফরম্যান্সকে খুবই গুরুত্ব সহকারে দেখি। আমাদের ব্যান্ডের বয়স হয়ে গেল লম্বা একটা জার্নি আছে। ত্রিশ বছর সেই জার্নিটা চলছে। তো দেশের বাইরে যখনই আমরা যাই, usually শুধুমাত্র ইন্ডিয়া ছাড়া বাকি প্রতিটা দেশেই কিন্তু আসলে আমরা গানটা শোনাতে যাই বাঙালি community কে। যেখানেই যাচ্ছি বাঙালি-- যেহেতু আমরা বাংলায় গান করি, so বাঙালি community কে তো আমাদেরকে নিচ্ছে। এই যে যারা দেশের বাইরে expatriate যারা আছেন, ওনারা কিন্তু আমাদের দেশের, আমাদের গানগুলোকে মিস করেন। হয়তো ওভাবে করেন না। এখন ডিজিটাল যুগে সবাই আসলে গান YouTube বা Spotify থেকে শুনে নিতে পারছেন। কিন্তু সামনে থেকে দেখা বা সেটা যে experience করার যে অনুভূতিটা, ওইটা কিন্তু এভাবে ছাড়া আর কোন সুযোগ হয় না। ওই জায়গাটায় ওনাদেরকে serve করতে পারা এটা আমাদের জন্য খুব ভালো লাগার একটা বিষয় হিসেবে কাজ করে। আর ওনারাও হয়তো ওই সময়ের জন্য বাংলাদেশকে feel করতে পারে। ওই বিষয়টা আমাদেরকেও আমাদের অনুভূতিকে কাজ করে।
তারেক নূরুল হাসান: আপনারা কি এবার সিডনির বাইরে আর কোথাও পারফর্ম করছেন না শুধু সিডনিতেই?
জিয়াউর রহমান জিয়া: না, এবারে আমরা সিডনির বাইরে আর পারফর্ম করার সুযোগ পাচ্ছি না। কারণ সময়টা পড়ে গিয়েছে এরকম যে, আপনি জানেন কিনা জানিনা শিরোনামহীনের birthday কিন্তু পহেলা বৈশাখ। তো যে কারণে পহেলা বৈশাখ হচ্ছে গতকাল বাংলাদেশের time অনুযায়ী আমরা গতকাল দুইটা লাইভ করলাম। এই যে আজকে বিজু উৎসবের জন্য রাঙ্গামাটি এসেছি। এটা খুব মজার interesting একটা কনসার্ট হয়। মানে আমাদের আদিবাসীদের একটা উৎসব, বিজু উৎসব। ওখানে সবাই পানি নিয়ে অনেক মজা করে। অনেক উৎসবের মতো একটা বিষয়। তো ওখানে কনসার্টের জন্য আমরা এলাম। এই সময়টাতে আমাদের আসলে এক ধরনের ব্যস্ততা কাজ করে এবং
যদিও এই সময়টায় ঝড়, ঝড় হয়। মানে weather বেশি friendly না। তাহলেও কনসার্টের আমেজটা থাকে। উৎসবের একটা পরিবেশ থাকে দেশে। তো ওই টাইমটাতে আসলে খুব বেশিদিন বাইরে থাকার সুযোগ আমাদের ওভাবে নেই। হ্যাঁ, হয়তো অন্য একটা পরিস্থিতিতে থাকে কিন্তু এই পরিস্থিতিতে একটু কম থাকে। যে কারণে আমরা শুধুমাত্র সিডনির কনসার্টটা করে চলে আসবো। সেটাই আমাদের এইবারের প্ল্যান।
তারেক নূরুল হাসান: আর আপনাদের শিরোনামহীন প্রসঙ্গে জানতে চাচ্ছি যে, আপনি যেটা বললেন যে ত্রিশ বছর হয়ে গেল ব্যান্ডের। তো শুরু থেকেই আপনি এর সাথে আছেন। তো এত বছর ধরে, এতগুলো বছর ধরে মানে নতুন প্রজন্ম আসছে। তাদের গানের যেই interest বা taste সেটা অনেক বেশি change হয়ে যায়। তো আপনারা যে এত বছর ধরে relevant আছেন সেটা কিভাবে করছেন আপনারা?
জিয়াউর রহমান জিয়া: এটা আপনি ভালো বলেছেন। এখানে কিছু বিষয়ে আমি আপনাকে attention draw করতে চাই। যেমন ধরেন, এই যে character গুলো ধরে আমরা আমাদের শৈশবকে সমৃদ্ধ করেছি, বড় করেছি, আমরা বড় হয়েছি। যেমন বাংলায় বললে বলতে হবে মাসুদ রানা। ইংরেজিতে পাবেন হচ্ছে জেমস বন্ড। এই যে character
দেখুন প্রজন্মের পর প্রজন্ম চলে যায়। হ্যাঁ, সেই character এর বয়স বাড়ে না। আমাদের আসলে ওই রকম একটা role play করতে হয়। মানে আমাদের গান আমরা যেভাবে serve করছি সেটা কিন্তু definitely আমাদের taste কেই represent করার মতো করেই আমরা গানগুলোকে আসলে deliver করে থাকি। এবং সেটা একটা প্রজন্মকে এমনভাবে serve করে যে, ওর স্মৃতির সাথে, ওর জীবনের বিভিন্ন event এর সাথে সেটা জড়িয়ে যায়। এবং যে কারণে সে তার life এর কোন moment এ বা কোন একটা হাসির, আনন্দের সময়ে, কোন দুঃখের বেদনার সময়ে সে সেই গানগুলো দিয়ে সেই সময়টাকে recall করে। এটা হচ্ছে মানুষের গান, গানের সাথে নিজেকে জড়িয়ে নেবার actual process টা, procedure। তো ওইখানে যখন নতুন প্রজন্ম গানে, গান শোনা শুরু করে বা আসে, তাদের সাথে পরিচিত হয় তখন কিন্তু তাদের taste টাকে সে ধারণ করে অথবা তার নিজের taste কে সেখানে সে খুঁজে বেড়ায়। ওখানে যার এই সমন্বয়টা ঘটবে তারাই কিন্তু ওই গানের সাথে নিজেকে relate করতে পারবে।
তারেক নূরুল হাসান: এবার প্রশ্ন যেটা করব সেটা ঠিক আপনাদের ব্যান্ডের বাইরে। কিন্তু বাংলাদেশের music production এর ক্ষেত্রে যেটা হয় যে, একটা সময়ে যেটা হতো যে প্রত্যেকটা ব্যান্ডকেই বড় কোন music production house এর ব্যানারে একটা অ্যালবাম আনতে হতো। এখন এটা কমে যাচ্ছে। এখন হয়তো নিজেরাই independent ভাবে আপনারা YouTube, Spotify বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে আপনারা গান publish করছেন। তো এই যে transition টা sponsor বা financer পাওয়া, এই সমস্ত বিষয়গুলো নিয়ে সুবিধা বা অসুবিধাগুলো কি কি? আপনার কি মনে হয়?
জিয়াউর রহমান জিয়া: দেখুন, এই transition টা আসলে globallyই ঘটেছে। হ্যাঁ, একটা time এ আমরা মানে শিরোনামহীনের উত্তরণের সময়টা যখন হয়েছিল, ওই সময়টাতেই এই transition টা ঘটেছে। Like আমরা হয়তো cassette এ, cassette এর পরপরই আমরা পেলাম CD র একটা যুগ। হ্যাঁ, এভাবে আমরা গান deliver করতে পারলাম। আমাদের প্রথম তিনটা অ্যালবামই ওভাবে করা। কিন্তু একই সাথে ওই সময়টা খুব বেশি piracy প্রখব ছিল। হ্যাঁ, আপনি মনে করতে পারবেন কিনা? ওই সময় কিন্তু গান যতটুকু বিক্রি হতো তার চাইতে বেশি হতো piracy। তো ওইটা আমরা একটা victim হয়েছিলাম। আমরা suffer করেছি যেটা আমাদের পূর্ববর্তী generation বা যারা music করেছেন, যারা band করেছেন তারা কিন্তু ওভাবে suffer করেন নাই। তারা একটা golden time পেয়েছিলেন যেটা আমরা শিরোনামহীন পাইনি। তার পরবর্তীতে এই transition টা কিন্তু ধীরে ধীরে ধীরে ধীরে পৃথিবী শান্ত হয়ে এলো এবং একটা discipline এর মাঝে চলে এলো। খুব ভালো কিছু platform রা পেলাম যেটার মধ্যে আমি mention করতে চাই YouTube কে এবং Spotify কেও করতে চাই। তবে YouTube কে বেশি করে করতে চাই। কারণ YouTube আসলে অনেক বেশি গ্রহণযোগ্য, অনেক বেশি versatile এবং অনেক বেশি মানে copyright বিষয়টাUnderstanding, procedure যে understanding সেটা YouTube এর অনেক বেশি।
তারেক নূরুল হাসান: আচ্ছা।
জিয়াউর রহমান জিয়া: যেহেতু বাংলাদেশ এমন একটা দেশ যে এখানে সব কিছুতেই আসলে দঙ্গিতে করার একটা প্রবণতা জাতিগতভাবেই আমাদের আছে। ও পাইরেসির প্রকোপটা আসলে অন্যান্য দেশকে যেভাবে যতটুকু victimise করেছে বাংলাদেশকে তার চেয়ে বেশিই করেছে, কম করেনি। তো ওই জায়গা থেকে আমি বলব যে, যখন YouTube এবং Spotify আমরা গান deliver করার সুযোগ পেলাম, এই যে independent way তে নিজেদের গানকে park করার করতে পারা সুযোগ পাওয়া, ওই সময়টা থেকে আসলে আমাদের সমস্যা অনেকটাই কেটে গিয়েছে। হ্যাঁ, আমাদের কালো মেঘটা কেটে গেল। আমরা একটা সুন্দর একটা পরিবেশ পেলাম গান deliver করার। Now ওটাকে কিভাবে nursing করব, কিভাবে চর্চা করব, এই যে আপনি sponsor বা অন্যান্য issue র কথা বলছেন ওটা আসলে অনেক পরবর্তী topic। প্রথমত হচ্ছে আমরা গানের মানুষ, আমরা গান deliver করতে চাই। আমরা চাই যে আমাদের audience গানগুলো শুনুক। Now সেটার সাথে যে ব্যবসায়িক আঙ্গিকটা জড়িত মানে commercial aspect, যে গানটা বিক্রি হওয়ার বিষয় সেটা cassette বা CD তে যেভাবে ছিল পরবর্তীতে যখন গানটা সেটা free শুনছে সেই জায়গায় কিন্তু সেভাবে সেটা থাকার আর কোন প্রশ্নই নাই। কিন্তু এই যে YouTube বা Spotify ওরা কিন্তু royalty pay করছে।
তারেক নূরুল হাসান: আচ্ছা।
জিয়াউর রহমান জিয়া: তো royalty কিন্তু artist থেকেই পাচ্ছে। But সেটার পরিমাণটা অবশ্যই ওইরকম না যে কারণে sponsor বা এগুলোর উপরে নির্ভরশীলতা তৈরি হলো বা তৈরি হতে হয়। হ্যাঁ, সেটা হতে-- কারণ আমাদের যে ব্যয়টা হচ্ছে গানের তৈরি নির্মাণ ব্যয়, সেই নির্মাণ ব্যয়ের তুলনায় কিন্তু royalty র পরিমাণটা অনেক কম। ওই জায়গা থেকে চিন্তা করলে অবশ্যই এটার প্রয়োজন আছে। কিন্তু then again definitely এই ধরনের platform গুলোর কারণে অন্তত গানটা deliver করার সুযোগ এসেছে এবং সেটা আগের মতো ওইরকম নয় যে একেবারে গানই করা যাচ্ছে না। সেই অবস্থাটা থেকে কিন্তু বেরিয়ে আসা গিয়েছে। So শিল্পী শিল্পীর দায়িত্ব পালন করার সুযোগটা পেয়েছে। আমার মনে হয় যে এই বিষয়টাই আস্তে আস্তে আরও কিছু আরও কয়েক বছর গেলে এটা বেশ একটা stable position এ চলে আসবে। যখন আসলে এই জায়গাটা আর টানাপোড়েনের কোনো জায়গা থাকবে না, এখানে কোন একটা পদ্ধতি figure out হয়ে যাবে।
তারেক নূরুল হাসান: হয়তো একটা balance create হবে যেখানে শিল্পী এবং platformগুলো একটা balance এর মধ্যে আসতে পারবে হয়তো আরও কিছুদিন পরে।
জিয়াউর রহমান জিয়া: Right. মানে আপনি দেখেন আমাদের পূর্ববর্তী generation যারা গান করতেন, যারা band করতেন তাদের কিন্তু sponsor এর প্রয়োজন হতো না।
জিয়াউর রহমান জিয়া: তারা গান deliver করতেন, মানুষ সেটাকে কিনেই শুনতো গানটা। So ultimately sponsor এর চাহিদা কিন্তু তখন এটা তখন তো ওনারা ভাবেনই নাই যে sponsor লাগতে পারে। কিন্তু আমাদের ক্ষেত্রে সেভাবে ভাবতে বাধ্য হয়েছি। কারণ হচ্ছে যে আমাদের ওই যে টানাপোড়েনটা রয়ে গিয়েছে, গানের নির্মাণ ব্যয়ের সাথে সেটা সামঞ্জস্যপূর্ণ হচ্ছে না। আরেকটা বিষয় হচ্ছে এই যে YouTube এটা একটা visual platform। যে কারণে গানের পাশাপাশি presentation এর স্বার্থে একটা visual এর চাহিদা তৈরি হয়। যে visual টা আবার তৈরি করার একটা নির্মাণ ব্যয় আছে। এই বিষয়গুলোর কারণে আসলে একটা check and balance এর বিষয় তৈরি হয়েছে। ওই balance টা একটু stable হওয়ার একটা বিষয় আছে। সেটা আমার মনে হয় সামনেই চলে আসবে অদূর ভবিষ্যতে।
জিয়াউর রহমান জিয়া: I don't think খুব দূরে আছি আমরা, কাছাকাছিই আছি।
তারেক নূরুল হাসান: আপনি visual এর প্রসঙ্গটা বললেন। তো আমরা খেয়াল করেছি যে ইদানিং আপনারা music video তে বেশ মনোযোগ দিচ্ছেন। তো সেগুলো এবং জনপ্রিয় হচ্ছে অনেক বেশি। তো এটা নিয়ে আপনাদের পরিকল্পনা কি? আপনারা আরও এরকম কাজ করতে যাচ্ছেন তাহলে?
জিয়াউর রহমান জিয়া: করতে যাচ্ছি বললেও ভুল হবে। আমরা আসলে music video টা দিতে হবে। এইজন্য ওই যে বললাম যে যেহেতু আমরা সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ platform মনে করি YouTube কে। YouTube এ সবচাইতে comfortably মানুষ গান যদিও সেটা একটা visual platform কিন্তু গানটা শোনার জন্য সবচাইতে মানে audience আসলে ওই platform টাকে গ্রহণ করে নিয়েছে বেশি।
তারেক নূরুল হাসান: আচ্ছা।
জিয়াউর রহমান জিয়া: সেটা আমাদের যে digital platformগুলোতে এটাকে বলা হয় MCM মানে multi channel network।
জিয়াউর রহমান জিয়া: তো আমরা তো multi channel network এর মাধ্যমে গানগুলোকে deliver করে থাকি। যেটা সবগুলো platform এ গিয়ে তখন availability পায়। আমাদের check and balance এর উপরে। Now আমরা কিন্তু দেখতে পাই যে YouTube এ গান শুনছে আমাদের audience প্রায় more than fifty percent, like sixty percent plus থাকে। কিছুদিন আগে সেটা আরও বেশি ছিল, eighty percent plus ছিল। তো এখন Spotify বা অন্যান্য platform কিছু মানুষ গান শুনছে কিন্তু তারপরও YouTubeই সবচাইতে বেশি এবং that is more than sixty percent।
তারেক নূরুল হাসান: আচ্ছা।
জিয়াউর রহমান জিয়া: তো ওই জায়গা থেকে যদি আপনি চিন্তা করেন দেখেন যে এটা যেহেতু visual তার মানে হচ্ছে একটা time আমরা যখন cassette এ গান deliver করতাম মানে artist রা তখন কিন্তু সেটার একটা cover হতো, একটা wrap হতো। তো ওই wrap টার জন্য একটা design, একটা graphics তৈরি করতে হতো। সেটা কিন্তু একটা presentation ছিল, একটা eye candy হতে হতো। হ্যাঁ, আমরা যারা গান শুনতে cassette কিনতাম তারা কিন্তু ওই design টাকে ignore করে কিনতাম না। আমরা চিন্তা করতাম যে আচ্ছা এই design টা তো আমার ভালো লাগছে। মনে হয় গানগুলো ভালো হবে। একটু শুনে দেখি তো। মানে এই যে আমাদের আগ্রহটা কাজ করতো। এটা কেন করতো? ওই design টার aesthetics টা আমাদেরকে টানতো, attention draw করতো।
Just like that এখন কিন্তু presentation এর মধ্যে এই aesthetic টা মানে আপনার graphics টা বা এইটা important না, এটা আর এখন থাকছে না। এখন থাকছে হচ্ছে visual টা।
So visual টা দিয়ে যদি আপনি attention draw করতে না পারেন তাহলে ওই গানটা কিন্তু আসলে তার আবেদন হারাবে। অনেক বড় number of audience আসলে প্রথমত ওই presentation এর কারণে দেখবেই না যে এটা কোন গান। কি কি recognize করতে হলো না, দেখলো না। তখন গানটা পৌঁছালো না audience এর কাছে। তো এই risk টা আমরা আসলে নিতে পারি না। যে কারণে আমরা presentation এ মনোযোগ দিচ্ছি। আবার এটাও আমি বলতে পারি যেমন আমরা আমাদের ninth album এর কাজ শুরু করেছি। সেরনাম কিন্তু already সেটা শুরু করেছে eighth album deliver করার পরপরই।
তারেক নূরুল হাসান: আচ্ছা।
জিয়াউর রহমান জিয়া: So ওখানে কিন্তু আমরা যেমন eighth album এ কিন্তু আমরা দেশের বাইরে বিভিন্ন খুব attractive কিছু location এ গিয়ে আমাদের video গুলো নির্মাণ করেছি। ইন্ডিয়ার হিমাচল প্রদেশে করেছি। থাইল্যান্ডের কিছু সুন্দর জায়গায় islandগুলোতে গিয়ে করেছি। তো সুন্দর আমরা আসলে মনোযোগী ছিলাম। এবার আমরা চাচ্ছি এই নির্ভরশীলতাটা AI এর দিকে নিয়ে যেতে। যাতে আমরা নির্মাণ ব্যয়টা কমাতে পারি এবং আমাদের এই হ্যাসেলটা মানে এই যে মিউজিক ভিডিও করার জন্য যে বিভিন্ন জায়গায় চলে যাওয়া, এটা কিন্তু শুধু ব্যয়েরই বিষয় না। এটাতে সময়ও যায়। এটাতে অনেক effort দিতে হয়। মানে আমরা গানের মানুষ আসলে গানে বেশি effort দিতে চাই। That was the best thing, হ্যাঁ? তো, ওই জায়গাটায় আমরা একটা ভালো সমাধান পেলাম AI এর কারণে যেটা এর আগে ছিল না। কিন্তু এখন এটা ভালো serve করতে পারছে। মানে আমার কল্পনায় আমি যা আসলে করতে চাই সেটা, আ, definitely সেটা বাস্তব presentation হয় না, অবাস্তব হয়। কিন্তু, আ, সেটা কিন্তু আমার purpose কে serve করে। কারণ সেটা কিন্তু আমার film না। সেটা হচ্ছে আমার music video। তো, আমার ad target কে serve করতে পারলেই কিন্তু আমি happy হয়ে যেতে পারি এবং সেই target এ আমরা এবার কাজগুলোকে AI দিয়ে করব, এরকম একটা ভাবনা আমরা already ভেবেছি। সেই angle থেকে কাজ করতেছি।
তারেক নূরুল হাসান: এবার আমি আপনার নিজের experience থেকে একটা ব্যাপার জানতে চাচ্ছি। সেটা হচ্ছে যে, আমরা দেখেছি যে শিরোনামহীনের অনেকগুলো গানই আপনার লেখা। মানে as a song writer। তো, গান যখন আপনি লেখেন বা নির্বাচন করেন বা যখন তৈরি করেন তখন আসলে আপনার ভাবনাটা কি থাকে? আপনি কি এরকম ভাবেন যে এই গানটা দর্শক শ্রোতারা কিভাবে নেবে? নাকি এতদিন ধরে শিরোনামহীনের যে একটা character বা একটা ছবি যে দাঁড়িয়েছে আপনি সেটাতে focus থাকার চেষ্টা করেন। এটা কিন্তু আপনার creative হিসেবে আপনাকে প্রশ্ন, not a performer.
জিয়াউর রহমান জিয়া: আমি বুঝতে পেরেছি। আসলে বিষয়টা প্রথম দিকে যখন experience কম ছিল তখন বিষয়টা এরকমই ছিল যে আমি যেইটুকু পারি মানে যেই জায়গাটায় আমার strength আছে সেই দিক থেকেই লিখতাম। এর বাইরে আর লেখার capacity ছিল না, to be honest. পরবর্তীতে যখন আসলে মানুষের responsibility র পাশাপাশি বা সফলতার পাশাপাশি কিন্তু responsibility বাড়ে আর responsibility র পাশাপাশি তার responsibility যে নেয়ার capacity ও বাড়াতে হয়।
তারেক নূরুল হাসান: অবশ্যই।
জিয়াউর রহমান জিয়া: হ্যাঁ, তো ওরকম একটা চাপ আমি আসলে খেয়ে গেলাম। কারণ band এর গানগুলো আসলে maximum ই আমিই লিখি। আমাকেই লিখতে হয়, deliver করতে হয়। তো ওখানে আমি খেয়াল করলাম আপনি যেটা বললেন যে যারা গানটা শুনছে audience তাদের একটা চাহিদা তৈরি হয়েছে। তারা এরকম শুনতে চায়। এটা একটা বিষয়। আরেকটা বিষয় তৈরি হয়েছে formal expression যেটা যেহেতু আমি architecture student ছিলাম, একসময় architecture পড়েছি। তো ওখানে এই শব্দটা আমি শিখেছি যে formal expression এটা খুব জরুরি একটা শব্দ। Like শিরোনামহীন এই ধরনের গান deliver করে। It's not যে আমাকে কিন্তু কেউ নিয়ম করে দেয় নাই যে আমাদের গানটা ঠিক rock ই হইতে হবে বা ঠিক folk হইতে হবে, অন্য কোন গান আমরা deliver করতে পারব না। এটা কিন্তু নয়। কিন্তু আপনি audience হিসেবে আসলে শিরোনামহীনের কাছ থেকে ওই যে psychedelic rock গানটা শুনে আপনার ভালো লেগেছে বা আপনি শিরোনামহীনকে ওভাবে কল্পনা করেছেন। আপনি অন্য কোন গান শিরোনামহীনের কাছ থেকে receive করার জন্য প্রস্তুত থাকবেন না, আপনার মন প্রস্তুত থাকবে না। আপনি আসলে শিরোনামহীনের কাছ থেকে ঠিক ওই ধরনের গানটা আবার শুনতে চাইবেন। তো, ওই চাহিদার জায়গাটাকে serve করার জন্য শিল্পীর নিজেরও এক ধরনের প্রস্তুতি, মানসিক প্রস্তুতি রাখতে হয়। যে কারণে আমাদের lyrical presentation, lyric এ কিন্তু শিরোনামহীন এক ধরনের সফলতা পেয়েছে। আমি বলব যে মানে এটা বললে খুব বেশি বাড়িয়ে বলা হবে না। শিরোনামহীন lyric এর দিক থেকে বাংলা গানে specially band song এ একটা নতুনত্ব ছাপ নিয়ে এসেছিল যেটা পরবর্তীতে audience র কাছে চাহিদা হিসেবে দাঁড়িয়েছে। যে শিরোনামহীনের কাছ থেকে এই ধরনের গান আমাকে আরও শুনতে হবে। তো, ওইটা deliver করার জন্য আমরা সার্বক্ষণিক প্রস্তুতি রাখি। এটা হচ্ছে lyrically বললাম number one। আর সুরের ক্ষেত্রে যেহেতু band এর বেশিরভাগ সুরও আমার করা, প্রায় eighty percent সুরই আমার করা। তো যে কারণে ওই সুরের জায়গা থেকেও কিন্তু ঠিক একই ভাবে এক ধরনের আবর্ত তৈরি হয়েছে যে শিরোনামহীন এই ধরনের tune গুলো মানুষকে শোনাতে চায় বা এখানে তার শক্তির জায়গা ভালো করে। যেমন আপনি হয়তো খেয়াল করলে দেখবেন বাংলাদেশেও অনেক band এরই খুব সুন্দর উৎসবমুখর গান আছে, খুব সুন্দর আনন্দের গান আছে। তো আমরা গতকাল এই যেহেতু গতকাল একটা আনন্দের দিবস ছিল। আমরা গান deliver করছি। আমরা নিজেরা আলাপ করছিলাম জানির মাঝে এবং আমরা এই আলাপটা করছিলাম যে আমাদের খুব একটা দুর্বলতার জায়গা আছে। আমাদের কিন্তু খুব ভালো উৎসবের গান বা আনন্দের গান নেই। এখানে আমাদের দুর্বলতা আছে। আমরা sad song খুব শক্তিশালী পদ্ধতিতে এবং ইয়াতে তৈরি করতে পেরেছি। এখানে আমরা সফল, সফল হয়েছি। কিন্তু আনন্দের গানের ক্ষেত্রে কিন্তু আমরা খুব বেশি গান তৈরি করতে এখন পর্যন্ত পারিনি এবং এটাতে আমাদের focus করা উচিত।
তারেক নূরুল হাসান: শেষ যেটা জানতে চাচ্ছিলাম যে আপনাদের ছয়টা বা সাতটা album বের হয়েছে এর মধ্যে। তো এর মাঝখানে আবার এরপর আপনারা অনেকগুলো non album single ও বের করেছেন, single track যেগুলো। তো এগুলোই কি-
জিয়াউর রহমান জিয়া: না, আটটা album বের হয়েছে।
তারেক নূরুল হাসান: আটটা album বের হয়েছে, sorry। হ্যাঁ। তো এই single track এও কি আপনাদের এরপরে মনোযোগ দেয়ার ইচ্ছা নাকি album এর দিকেই আপনারা বেশি জোর দিবেন?
জিয়াউর রহমান জিয়া: না, এখন আসলে যেভাবে সারা বিশ্বে গান release হচ্ছে, যে পদ্ধতিতে, সেই পদ্ধতিটা হচ্ছে single। হ্যাঁ, কিন্তু সেটা আসলে album। কিভাবে? Album হলেও আগে যেমন আমরা একটা album এর কাজ করতাম, সবগুলো গান যখন ready হয়ে যেত সাতটা, আটটা, দশটা যাই হোক না কেন number টা সেটা আমরা একটা CD তে compile করতাম। এই compilation টাকে বাজারে পাওয়া যেত, মানুষ কিনে নিত। সেটা ছিল পদ্ধতি। এখন কিন্তু প্রতিটা গান single আকারে release হয় এবং সেটা একটা playlist এর under এ থাকে। সেই playlist টাই হচ্ছে album। যেমন আমাদের last album টার নাম হচ্ছে বাতিঘর যেখানে দশটি গান ছিল। তো, প্রতিটা গানই কিন্তু single আকারে release হয়েছে এবং হতে হতে হতে তো দশটি গান যখন release হয়ে গেছে আমরা declare ও করেছি এবং সেটা একটা মোটামুটি অনারম্ভ, অনারম্ভও বলব না। মোটামুটি আরম্ভ ছিল। একটা five star hotel আমরা সেটার inauguration program করলাম। আমরা declare করলাম যে এই album টা এখানে আমরা সমাপ্ত ঘোষণা করলাম এবং album এর মরকুন্মোচন করলাম। তো এই যে বিষয়টা এভাবে কিন্তু আমরা album টা release করে ফেলি। বাট প্রতিটা গানই কিন্তু single আকারে release হয়ে গিয়েছে এবং next album ও কিন্তু আমাদের target ও এরকমই। ওভাবে কিন্তু release হবে। তার মানে আপনি এটা বলতে পারেন যে এই যে single release করার যে বিষয়টা, যেটা আমরা mixed album বা এগুলা করতাম, এটা ধরেন দুনিয়া থেকে চলে গেছে। এই জিনিস আর কখনো হবে না। কাল খেত্রেই ঘটবে না। যেটা ঘটবে সেটা হচ্ছে album কিন্তু release হবে গান single আকারে। সেটাই হবে।
তারেক নূরুল হাসান: সিডনিতে যারা আছেন আপনাদের জন্য অপেক্ষা করছেন এবং SBS বাংলার শ্রোতাদের জন্য আপনি কি কিছু বলতে চান?
জিয়াউর রহমান জিয়া: জি, অফকোর্স অবশ্যই বলতে চাই। আমি বলতে চাই যে শিরোনামহীন গানের সুবাদে গান শোনানোর সুবাদে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে গান শোনানোর সুযোগ পেয়েছে। এটা আমাদের জন্য একটা honor, rare opportunity যে বাঙালি community কে আমরা serve করতে পারি। তো সেই দিক থেকে অস্ট্রেলিয়াকে আমি বলব যে some how বাংলাদেশের শিক্ষিত জনগণ জন সম্প্রদায়ের মাঝে একটা লার্জ অংশ আসলে অস্ট্রেলিয়ায় যেতে পেরেছে। অন্যান্য দেশে যেটা কম দেখা যায়। তো, যে কারণে আমাদের band এর সবারই আসলে অস্ট্রেলিয়াকে খুব ভালো লাগে, পছন্দ করে। কারণ শিরোনামহীনের lyric এ এক ধরনের message deliver করার একটা প্রবণতা থাকে তো। আর অস্ট্রেলিয়ায় যেহেতু শিক্ষিত সম্প্রদায়ের বাঙালি শিক্ষিত সম্প্রদায় বড়, বেশি large number of people, so আমাদের ওই সুযোগটা ভালোভাবে কাজ করছে। তো we are looking forward to it and eagerly waiting যে আশা করছি যে আমাদের tour টাও সফল হবে এবং যারা আসবেন আমাদের গান enjoy করতে পারবেন। Thank you for being with us এবং এত লম্বা journey তে আমাদেরকে support দেবার জন্য unconditionally আপনাদের ভালোবাসার জন্য আমরা আপনাদের প্রতি কৃতজ্ঞ।
তারেক নূরুল হাসান: SBS বাংলাকে সময় দেয়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।
জিয়াউর রহমান জিয়া: আপনাকেও ধন্যবাদ।
END OF TRANSCRIPT