অনেক সময় কোনও জায়গায় পাবলিক টয়লেট খুঁজে পাওয়া বেশ কঠিন হতে পারে, আমরা সবাই হয়ত কখনও কখনও এই অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছি। কিন্তু অনেক মানুষের জন্য — অথবা বলা যায়, অস্ট্রেলিয়ার উল্লেখযোগ্য একটি জনগোষ্ঠীর জন্য — এ বিষয়টি শুধু অস্বস্তিকর নয়, বরং এর চেয়েও অনেক বেশি কিছু।
গত বছর নিউ সাউথ ওয়েলস পার্লামেন্টের পাবলিক টয়লেটবিষয়ক তদন্ত শুনানিতে পরামর্শক প্রতিষ্ঠান স্ট্রিটকেয়ারের অ্যান্থনি পিয়ার্স বলেছিলেন,
টয়লেট এমন একটি বিষয়, যেটিকে আমরা সবাই খুব স্বাভাবিক বলে ধরে নিই। কিন্তু একজন গৃহহীন মানুষের জন্য টয়লেট হয়ে ওঠে বিলাসিতা।
তাঁর সহকর্মী ডেভিড স্ট্রিটফিল্ড বলেন, রাত নয়টার পরে পাবলিক টয়লেট খুঁজে পাওয়া খুব কঠিন হয়ে যায়। তাই রাতে আমি সেন্ট্রাল স্টেশনে থাকতাম, কারণ সেখানকার দরজা সারাক্ষণ খোলা থাকত।
জেরামি হোপ হলেন পিপল উইথ ডিজঅ্যাবিলিটি অস্ট্রেলিয়ার সভাপতি এবং স্পেশালিস্ট ডিজঅ্যাবিলিটি অ্যাকমোডেশন অ্যালায়েন্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা।
তিনি নিজে সার্বক্ষণিক ওয়াকার ব্যবহার করেন এবং অটিজমে আক্রান্ত এক সন্তানের বাবা। তার ভাষায়, সহজপ্রবেশযোগ্য টয়লেট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনও মিটিং-এ গিয়ে বা বিমানবন্দরে তাঁকে অনেকবার হন্যে হয়ে টয়লেট খুঁজতে হয়েছে।
জুলিয়ান লরেন্স পিপল উইথ ডিজঅ্যাবিলিটি অস্ট্রেলিয়ার একজন সিনিয়র পলিসি কর্মকর্তা।
তিনি বলেন,
তাদের সংগঠন প্রায়ই এমন মানুষের কথা শোনে, যাদের পুরো দিনের পরিকল্পনাই করতে হয় পাবলিক টয়লেট পাওয়ার সম্ভাবনাকে কেন্দ্র করে।
এবারের পর্বে এসবিএস এক্সামিনস জানতে চেয়েছে — কীভাবে পাবলিক টয়লেট বৈষম্যের চিত্র তুলে ধরে?
আমাদের অন্যান্য পর্ব শুনতে ভিজিট করুন sbs.com.au/sbsexamines





