গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো
- স্থানীয় মুসলিম কমিউনিটির উদ্যোগে মেলবোর্ন মাল্টিকাচারাল সেন্টার বা এমএমসি।
- মেলবোর্নের পশ্চিমের শহরতলি টারনিটে যাত্রা শুরু করে আগস্ট ২০১৮ সালে।
- সেন্টারটির প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য হচ্ছে আগামী প্রজন্ম যেন ধর্ম ও নৈতিকতার আদর্শে বড় হয়।
মুসলিম কমুউনিটিতে পারিবারিক সহিংসতা কিংবা ইসলামোফোবিয়ার মতো সমস্যাগুলো মোকাবেলার বিষয়ে সচেতন করে এমএমসি।

মেলবোর্ন মাল্টিকালচারাল সেন্টার বা এমএমসি প্রতিষ্ঠার সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত আছেন চার্লস স্টার্ট ইউনিভার্সিটির এসোসিয়েট প্রফেসর এবং গোল্ডেন ওয়াটেল মসজিদের ইমাম ডঃ রফিকুল ইসলাম। তিনি এসবিএস বাংলাকে জানাচ্ছেন সংগঠনটির কার্যক্রম সম্পর্কে।
ডঃ রফিকুল ইসলাম বলেন, মেলবোর্ন মাল্টিকালচারাল সেন্টার বা এমএমসি প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ শুরু হয় ২০১৫ সালের মাঝামাঝি থেকে এবং যাবতীয় প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগস্ট ২০১৮ থেকে এটি যাত্রা শুরু করে।
তিনি বলেন, অস্ট্রেলিয়া বহুভাষা ও সংস্কৃতির মানুষের বাস, তাই মুসলিম কমিউনিটিসহ সকল মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সহাবস্থানের বার্তা দিতেই এটি প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা করা হয়।

মেলবোর্নের পশ্চিমের শহরতলি টারনিটে অবস্থিত মেলবোর্ন মাল্টিকালচারাল সেন্টারটি গড়ে উঠেছে মূলত গোল্ডেন ওয়াটেল মসজিদকে কেন্দ্র করে এবং সেন্টারটি প্রতিষ্ঠার পেছনে আছে এই অঞ্চলের মুসলিম কমিউনিটি।
ডঃ ইসলাম বলেন, এই সেন্টারটির উদ্দেশ্যই হচ্ছে আমাদের পরবর্তী প্রজন্ম যেন ধর্ম ও নৈতিকতার আদর্শে বড় হয়। তাই এখানে নানা ধরণের ইসলামী শিক্ষামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এর মাধ্যমে এখানে শতাধিক শিক্ষার্থী পড়াশোনা করছে।
তিনি জানান, ইসলামী শিক্ষামূলক ছাড়াও তরুণদের মধ্যে নানা রকম স্পোর্টস এবং কালচারাল ইভেন্ট, ওয়ার্কশপ-সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

অন্যান্য কমিউনিটির মতো মুসলিম কমুউনিটির মধ্যেও নানা চ্যালেঞ্জের বিষয় লক্ষ্য করা যায়, যেমন পারিবারিক সহিংসতা, দারিদ্র ইত্যাদি। এর ওপর রয়েছে ইসলামোফোবিয়ার সমস্যা।
এই চ্যালেঞ্জগুলো উল্লেখ করে ডঃ ইসলাম বলেন, "আমরা কমিউনিটিতে বিভিন্ন সেমিনার এবং শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে এই চ্যালেঞ্জগুলো মোকাবেলা করার চেষ্টা করছি।
ডঃ রফিকুল ইসলামের সাক্ষাতকারটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারে ক্লিক করুন
এসবিএস বাংলার রেডিও অনুষ্ঠান শুনুন প্রতি সোমবার এবং শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় এবং আরও খবরের জন্য আমাদের ফেইসবুক পেইজটি ভিজিট করুন।
আরো দেখুন:











