গতবছর করোনাভাইরাস রোধে কঠোর স্বাস্থ্যবিধির কারণে কেবল ঘরোয়া আয়োজনেই সীমিত ছিল ঈদ উদযাপন। এ বছর মহামারীর প্রকোপ কমে যাওয়ায় বেশ উৎসবমুখর পরিবেশে ও ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য্য সহকারে বাঙালি মুসলিম কমিউনিটি সব শহরেই ঈদ উদযাপন করেছেন।
এদিকে ঈদ-উল -ফিতর উপলক্ষ্যে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী স্কট মরিসন।

তিনি গত বছর থেকে চলমান কোভিড-১৯ মহামারীর কথা উল্লেখ করে বলেন, "কোভিড-১৯ মহামারীর দিনগুলোতে সরকার গৃহীত জনস্বাস্থ্য উদ্যোগে অবিরাম সমর্থনসহ সংযমের মাধ্যমে পরস্পরের যত্ন নেয়া এবং কমিউনিটিতে ভালোবাসার আবহ বিরাজ করায় আমি অস্ট্রেলিয়ার মুসলিম কমিউনিটির কাছে কৃতজ্ঞ।
আজ আমরা ২০২১ সালে বিপূল আনন্দের সাথে ধর্মীয় ঐতিহ্যকে নতুন করে যেন দেখতে দেখতে পাচ্ছি। আমরা নিরাপদ ও কার্যকর টিকাদান কর্মসূচি জারি রেখেছি। আমাদের পরিবার, কমিউনিটি এবং দেশের সকলের সুনিশ্চিত, শান্তিময় এবং সমৃদ্ধ ভবিষ্যতের জন্য পারস্পরিক আস্থা-বিশ্বাস পুনঃজাগরুক হোক।"
দেশের ঈদের সাথে প্রবাসে ঈদ পালনের পার্থক্যটা কেমন তা নিজের অনুভূতিতে জানিয়েছেন ব্রিসবেনের মুনির রহমান।
তিনি বলেন, প্রবাসে ঈদ উদযাপন দেশের চেয়ে কিছুটা আলাদা। তবে তাতে আবেগ, আনন্দ ও সামাজিকতার কমতি হয় না।
মুনির রহমান বাংলাদেশ এসোসিয়েশন ইন ব্রিসবেন-এর সভাপতি। তিনি ঈদকে ঘিরে সেখানকার বাংলাদেশীদের নানান আয়োজনের কথা এসবিএসকে তুলে ধরেন।

মেলবোর্নের বেশিরভাগ মানুষ ঈদ পালন করেছেন গত বৃহস্পতিবার। গতবছর লকডাউনের পর মেলবোর্নের অধিবাসীরা এ বছর সাড়ম্বরে মসজিদে ঈদের নামাযে সামিল হয়েছেন। ভয়ভীতি কাটিয়ে মেলবোর্নবাসী কিভাবে এ বছর ঈদ উদযাপন করছেন, জানালেন বদরুদ্দোজা পলাশ।
ভয়ভীতি কাটিয়ে মেলবোর্নবাসী কিভাবে এ বছর ঈদ উদযাপন করছেন, জানিয়েছেন বদরুদ্দোজা পলাশ।

একই দিনে ঈদ উদযাপিত হয়েছে নিউ সাউথ ওয়েলসের রিজিওনাল শহর আর্মিডেলে। ছোট এই শহরে ইউনিভারসিটি অফ নিউ ইংল্যান্ড অবস্থিত। রমজানেই ইফতার অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে ঈদ, পিঠা উৎসব এবং বাংলাদেশের জাতীয় দিবস পালনেই মধ্যে দিয়ে এই শহরের সব আয়োজন হয়ে উঠে সব কমিউনিটির এক মিলনমেলা।
সেখান থেকে হুমায়রা বেগম আমাদের জানিয়েছেন,কমিউনিটির সব কাজে দায়িত্ব ও নিষ্ঠার সাথে পালন করে থাকেন হুমায়রা বেগম। তিনি আরমিডেল থেকে তাঁদের ঈদ সহ সব আয়োজন কিভাবে পালন হয়ে থাকে।

সিডনি, ব্রিসবেন সহ অনেক জায়গাতেই শুক্রবার ঈদ উদযাপিত হয়েছে।
দেশে ঈদ পালনের সাথে প্রবাসে ঈদ পালনে পার্থক্য নিজের অনুভূতিতে ব্যক্ত করেন সিডনির ইশরাক আহমেদ, "দেশে পরিবার পরিজন সবাইকে ঈদে কাছে পাওয়া যায়, এদেশে তা সম্ভব না। তাই ভারচ্যুয়ালি পারিবারিক সাক্ষাত হয়ে থাকে।"

সিডনির ইউনিভারসিটি অফ ওয়েস্টার্ন সিডনীর ছাত্র এবং সেখানকার বাংলাদেশী ছাত্রদের সংগঠনএর উপদেষ্টা সভাপতি শফিকুর রহমান এসবিএস কে তাঁর অভিজ্ঞতায় বলেন, গতবারের ঈদে তিনি তার সংগঠনের আয়োজনে সেখানকার সব শিক্ষার্থীদের নিয়ে ঈদ পুনর্মিলনীর আয়োজন করেন।

পুরো প্রতিবেদনটি বাংলায় শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারে ক্লিক করুন।
এসবিএস বাংলার রেডিও অনুষ্ঠান শুনুন প্রতি সোমবার এবং শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় এবং আরও খবরের জন্য আমাদের ফেইসবুক পেইজটি ভিজিট করুন।
আরো দেখুন:











