ভিক্টোরিয়ায় সরকারী প্রাইমারি এবং সেকেন্ডারি স্কুলগুলোতে শিক্ষার্থীদের মোবাইল ফোন নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে রাজ্য সরকার।
ধারণা করা হচ্ছে, এর ফলে শিক্ষার্থীরা ক্লাসরুমে আরও মনোযোগী হবে এবং বিশেষত সাইবার বুলিং রক্ষা পাবে।
সরকারের এই নীতিমালা নিয়ে কী ভাবছেন বাংলাদেশী কমিউনিটির অভিভাবকরা?

মেলবোর্নে স্থানীয় সরকারে কর্মরত জুবাইদুল জেকব বলেন,
“আমি এই পলিসি-ডিসিশনের সঙ্গে সম্পূর্ণ একমত।”
তার মতে, মেডিক্যাল রিজন না থাকলে এই পলিসি-ডিসিশনের কারণে বাচ্চারা স্কুলে ফোন ব্যবহার করতে পারবে না। এটা সাইবার বুলিং থেকে তাদেরকে বাঁচাবে বলে মনে করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, এতে করে বাচ্চাদের সামাজিক দক্ষতাগুলো উন্নত হবে।
মেলবোর্নের বাসিন্দা আজমল হুদা বলেন,
“আমার মনে হয় যে, এটা জরুরী, এটা দরকার।”

তিনি আরও বলেন, বাচ্চাদের বিচার করার ক্ষমতা কম। সাইবার বুলিংয়ের কথাও উল্লেখ করেন তিনি।
তার মতে, “সরকারের এটা খুব ভাল একটা উদ্যোগ। আমার মনে হয় না ফোনটা বাচ্চাদের জন্য ওতোটা দরকারী।”

মেলবোর্নের ওয়েস্টার্ন রিজিওনের বাংলা স্কুলের প্রিন্সিপল মোর্শেদ কামাল বলেন,
“আমি মনে করি এটা খুবই ভাল উদ্যোগ। পড়াশোনা বাদ দিয়ে এরা (বাচ্চারা) মোবাইল ফোনেই সবসময় ব্যস্ত থাকে।”
তার মতে, “এতে বাচ্চারা খুবই উপকৃত হবে। অভিভাবক হিসেবে আমরাও খুশি হবো।”
মেলবোর্নের আরেক বাসিন্দা প্রদীপ কুমার রায় বলেন,
“আজকালকার ছেলে-মেয়েরা মোবাইল-গেমসে অনেক বেশি আসক্ত।”
তবে, তিনি নেতিবাচক দিকগুলোর পাশাপাশি মোবাইল ফোনের বেশ কয়েকটি ইতিবাচক দিকও তুলে ধরেন।

প্রতিবেদনটি বাংলায় শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।
Follow SBS Bangla on FACEBOOK.









