এই ঘটনায় নিহতদের পরিবার, কমুনিটির সদস্য এবং ফায়ার ফাইটিং কর্মীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত দুজনেরই ছোট বাচ্চা রয়েছে।
জিওফ্রে কিটন ২০০৬ সালে নিউ সাউথ ওয়েলসের রুরাল ফায়ার সার্ভিসে যোগ দিয়েছিলেন। এবং তিনি হোর্সলে পার্ক রুরাল ফায়ার ব্রিগেডের ডেপুটি ক্যাপ্টেন ছিলেন। তিনি এর আগে প্লাম্পটন ব্রিগেডে সদস্য ছিলেন।
একই ব্রিগেডের সদস্য অ্যান্ড্রু ও'ডওয়ের যোগ দিয়েছিলেন ২০০৩ সালে।
জিওফ ও তার পার্টনার জেসের পুত্র সন্তান হার্ভি, এবং কেন্দ্রেও ও তার পার্টনার মেলের কন্যা সন্তানের নাম চার্লোট। তাদের দুজনেরই বয়স ১৯ মাস এবং মাত্র দুদিনের ব্যবধানে জন্ম।

নিউ সাউথ ওয়েলসের রুরাল ফায়ার সার্ভিসের কমিশনার শেন ফিটজসিমন্স তাদের পরিবারের মানসিক অবস্থা সম্পর্কে বলেন, "এমন একটি মর্মান্তিক ঘটনায় নিহতদের পরিবার ভীষণ শোকাগ্রস্ত এবং তারা চেষ্টা করছে এই ট্র্যাজিডি থেকে উত্তরণের।"
জিওফের বাবা জনও একজন ফায়ার ফাইটার এবং তিনি সিডনির উত্তর-পশ্চিমে গোসপার মাউন্টেইনে অগ্নিনির্বাপনের কাজ করছিলেন।
মিঃ ফিটজসিমন্স বলেন, কিটনের পরিবারের স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করার দীর্ঘ ঐতিহ্য আছে।
"তারা কমিউনিটিতে দুজনেই বেশ সম্মানিত ছিলেন, একই ব্রিগেডে ঘনিষ্ট ভাবে কাজ করতেন, একসাথেই চলাফেরা করতেন।"
এদিকে এঘটনায় কমিউনিটিতেও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিউ সাউথ ওয়েলসের রুরাল ফায়ার সার্ভিস ফেইসবুক পেজে অনেকেই তাদের মনোবেদনার কথা জানিয়েছেন। কেউ লিখেছেন "তারা সবসময় আমাদের হৃদয়ে থাকবেন, থাকবেন আমাদের স্মৃতিতে।"
একজন লিখেছেন "এটা সত্যিই হৃদয়বিদারক, এই ভাতৃপ্রতিম দুজন মানুষ কাজ করতে করতে মৃত্যুবরণ করলেন, এই ঘটনা আমার হৃদয়কে বিদ্ধ করেছে এবং সবসময়ই করবে।"
আরো পড়ুন :
