ফেডারেল সরকার অনলাইনে জুয়া খেলার ব্যাপারে বিধিনিষেধ আরও কঠোর করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে অনলাইনে বাজির অর্থ পরিশোধে ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার নিষিদ্ধ করার জন্য আইনের খসড়া তৈরি করা হচ্ছে। এই পদক্ষেপটি ইতিমধ্যে জুয়াড়ী প্রতিষ্ঠানগুলির সমর্থন পেয়েছে, তবে এর সমর্থনকারীরা আরও দ্রুত পদক্ষেপ এবং শক্তিশালী সুরক্ষা দাবি করছেন।
জুয়াড়িদের দেশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়ার খ্যাতি এখন বিভিন্ন বিজ্ঞাপনেও প্রতিফলিত হচ্ছে।
প্রাক্তন এনবিএল বাস্কেটবল তারকা খেলোয়াড় শাকিল ও'নিলকে পয়েন্টসবেট অ্যাপ-এর বিজ্ঞাপনগুলিতে এখন দেখতে পাওয়া যাচ্ছে।
PointsBet একটি অনলাইনে বাজি ধরার অ্যাপ্লিকেশন, যেখানে মানুষ খেলাধুলার ফলাফলের উপর বাজি ধরতে পারে।
তবে বেটিং অ্যাপ্লিকেশনগুলিতে বিশ্বের সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্থ দেশ হিসাবে অস্ট্রেলিয়ার র্যাঙ্কিং সর্বোচ্চ হওয়াতে সরকার এই শিল্পে আরও কঠোর নিয়ম আরোপ করতে চলেছে।
কম্যুনিকেশন মিনিস্টার মিশেল রোল্যান্ড বলেছেন, অনলাইন বেটিং-এ ক্রেডিট কার্ডের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা এখন সরকারের কাছে অগ্রাধিকার পাচ্ছে।
প্রচলিত বুকমেকার এবং ক্যাসিনোগুলির জন্য এই নিষেধাজ্ঞা ইতিমধ্যে বিদ্যমান। তাই নতুন এই পদক্ষেপটি এমন একটি ফাঁক বন্ধ করে দিবে যার মাধ্যমে অনলাইন বেটিং সার্ভিসগুলিও আর ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করতে পারবে না।
তবে পাবলিক লটারিগুলিকে ছাড় দেওয়া হবে, কারণ এই শিল্পে অনেক বড় আর্থিক ক্ষতির ঝুঁকি কম থাকে।
অ্যালায়েন্স ফর গ্যাম্বলিং রিফর্মের সিইও ক্যারল বেনেট দাবি করেছেন যে এই সংস্কারগুলি অনেক আগেই হওয়া উচিত ছিল, তবে এখন শুরু করাটাও জুয়া খেলা হ্রাসের জন্যে একটি ভাল উদ্যোগ।
নতুন এই আইনটি সর্বস্তরের সমর্থন পাচ্ছে, এমনকি বেটিং শিল্পের কাছ থেকেও।
রেসপনসিবল ওয়েজারিং অস্ট্রেলিয়ার কাই টমাস নিশ্চিত করেছেন যে সরকারের এই সিদ্ধান্তটি জুয়াড়িদের জন্য ইতিবাচক ফলাফল বয়ে আনবে।
আর সোশাল সার্ভিস মিনিস্টার অ্যামান্ডা রিশওয়ার্থ বলেছেন, তিনি আশা করেন সর্বস্তরের এই সমর্থন আইন মেনে চলার ক্ষেত্রেও প্রতিফলিত হতে দেখা যাবে।
অস্ট্রেলিয়ার অনলাইন জুয়া শিল্প এখন সংসদীয় আলোচনার বিষয়বস্তু হয়ে রয়েছে।
তবে অস্ট্রেলিয়ান খেলাধুলার সাথে এই শিল্পটি যে পরিমাণ বিজ্ঞাপনকে যুক্ত করেছে, তা এর পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে গুরুত্ব পাওয়ার দাবি রাখে।
বুকমেকাররা এখনও প্রাইম-টাইমে নিজেদের অধিক প্রচারের জন্যে নতুন নতুন চুক্তি স্বাক্ষর করে চলেছেন।
তবে এই শিল্পটি কঠোর নিয়ন্ত্রণকে স্বাগত জানাবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মন্ত্রী রিশওয়ার্থ বলেছেন যে এই আইনটি ভবিষ্যতের দীর্ঘ যাত্রার একটি শুরু মাত্র।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও-প্লেয়ার বাটনে ক্লিক করুন।
আমাদেরকে অনুসরণ করুন ফেসবুকে।





