রায়হান রাফী পরিচালিত নারীপ্রধান চলচ্চিত্র ‘প্রেশার কুকার’ প্রথমবারের মতো প্রদর্শিত হয়েছে অ্যাডিলেইডে। সিনেমা হলে এর প্রদর্শনীর ব্যাপারে এর আয়োজক এবং দর্শকদের অনুভূতি নিয়ে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন এসবিএস বাংলার স্থানীয় প্রদায়ক আনতারা রাইসা।
এই চলচ্চিত্রে আধুনিক নগরজীবনের মানসিক চাপ, সামাজিক প্রত্যাশা এবং নারীদের ব্যক্তিগত সংগ্রামের গল্প ঘিরে প্রবাসী দর্শকদের মধ্যে তৈরি হয়েছে আলোচনা।
আয়োজক প্রতিষ্ঠান কোয়াসার সোনোমাটোগ্রামের প্রধান নির্বাহী ও প্রতিষ্ঠাতা শারমিন ফাতেমা মনে করেন, ভিন্নধর্মী সিনেমা এবং অফবিট সাংস্কৃতিক আয়োজন প্রবাসে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ তার ভাষায়, “সিনেমা সবসময় শুধু বিনোদনের জন্য নয়।”
শারমিন ফাতেমার মতে, অন্যান্য অনেক আয়োজনের তুলনায় তাদের প্রতিষ্ঠান কিছুটা আলাদা, কারণ তারা বাণিজ্যিক দিকের চেয়ে প্যাশন বা সাংস্কৃতিক দায়বদ্ধতাকে বেশি গুরুত্ব দেন।
সিনেমাটি দেখতে আসা দর্শকদের অনেকেই বলছিলেন, গল্পটি শুধু বাংলাদেশের নারীদের নয়—বরং যেকোনো শ্রেণী পেশার নারীদের বাস্তবতার সঙ্গেই মিলে যায়।

প্রায় পাঁচ বছর ধরে অ্যাডিলেইডে বসবাসরত চিকিৎসক সামারা তিন্নি বলেন, সিনেমাটির হাইপারলিংক গল্প বলার ধরন এবং অপ্রত্যাশিত সমাপ্তি তার ভালো লেগেছে।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও-প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।




