Watch FIFA World Cup 2026™

LIVE, FREE and EXCLUSIVE

অ্যাডেলেইডে “বনলতা এক্সপ্রেস” নিয়ে মুগ্ধতা প্রকাশ করলেন অবাঙালি দর্শকরাও

20260510_211840.jpg.jpeg

সাউথ অস্ট্রেলিয়ায় “বনলতা এক্সপ্রেস” চলচ্চিত্রটির প্রদর্শনীর আয়োজন করে গ্লোবাল অস্ট্রেলিয়া মিডিয়া অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার নাজিউল বীর খান বলেন, সিনেমাটির প্রদর্শনী শেষ হলেও এখনো দর্শকদের কাছে অতিরিক্ত শো-এর অনুরোধ পাচ্ছেন তারা। Credit: Naziul Bir khan/Global Australia Media and Entertainment

সম্প্রতি সাউথ অস্ট্রেলিয়ায় প্রদর্শিত হয়েছে তানিম নূর পরিচালিত বনলতা এক্সপ্রেস চলচ্চিত্রটি। অ্যাডেলেইডের প্যালেস নোভা সিনেমা হলে এর প্রদর্শনী এবং দর্শকদের অনুভূতি নিয়ে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন এসবিএস বাংলার স্থানীয় প্রদায়ক আনতারা রাইসা।


Published

Updated

By SBS Bangla

Source: SBS



Share this with family and friends


সম্প্রতি সাউথ অস্ট্রেলিয়ায় প্রদর্শিত হয়েছে তানিম নূর পরিচালিত বনলতা এক্সপ্রেস চলচ্চিত্রটি। অ্যাডেলেইডের প্যালেস নোভা সিনেমা হলে এর প্রদর্শনী এবং দর্শকদের অনুভূতি নিয়ে এই প্রতিবেদনটি তৈরি করেছেন এসবিএস বাংলার স্থানীয় প্রদায়ক আনতারা রাইসা।


IMG-20260513-WA0012.jpg.jpeg
হুমায়ূন আহমেদের `কিছুক্ষণ' উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত ‘বনলতা এক্সপ্রেস’ চলচ্চিত্রটি মূলত একটি ট্রেন যাত্রার গল্প। তবে এটি শুধু এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়ার গল্প নয়, বরং মানুষের ভেতরের যাত্রার গল্প। শুধু বাংলাদেশি দর্শকরাই নন, সিনেমাটি আকৃষ্ট করেছে স্থানীয় অস্ট্রেলিয়ান দর্শকদেরও। সিনেমাটি দেখার পর স্টিভ এবং লিয়ান নামের দুই অস্ট্রেলিয়ান দর্শক জানান, তারা সিনেমাটিকে একই সঙ্গে আবেগঘন এবং মজার মনে করেছেন। Credit: Naziul Bir khan/Global Australia Media and Entertainment

সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও-প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।

এসবিএস বাংলার আরও পডকাস্ট শুনতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট

আপনি কি জানেন, এসবিএস বাংলা অনুষ্ঠান এখন ইউটিউব এবং এসবিএস অন ডিমান্ডে পাওয়া যাচ্ছে?

এসবিএস বাংলা এখন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় সকল জনগোষ্ঠীর জন্য এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেলের অংশ।

এসবিএস বাংলা লাইভ শুনুন প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় এসবিএস সাউথ এশিয়ান-এ, ডিজিটাল রেডিওতে, কিংবা, আপনার টেলিভিশনের ৩০৫ নম্বর চ্যানেলে। এছাড়া, এসবিএস অডিও অ্যাপ-এ কিংবা আমাদের ওয়েবসাইটে। ভিজিট করুন www.sbs.com.au/bangla.

আর, এসবিএস বাংলার পডকাস্ট এবং ভিডিওগুলো ইউটিউবেও পাবেন। ইউটিউবে সাবসক্রাইব করুন এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেল। উপভোগ করুন দক্ষিণ এশীয় ১০টি ভাষায় নানা অনুষ্ঠান। আরও রয়েছে ইংরেজি ভাষায় এসবিএস স্পাইস

Read more about SBS’s use of AI

বাংলাদেশের ট্রেন যাত্রা মানেই অনেকের কাছে এক ধরনের স্মৃতি। জানালার পাশে বসে থাকা, হকারের ডাক, অপরিচিত মানুষের সঙ্গে গল্প কিংবা রাতভর ছুটে চলা এক দীর্ঘ ভ্রমণ। সেই চেনা আবহ নিযেই তৈরি হয়েছে তানিম নূর পরিচালিত বনলতা এক্সপ্রেস। সম্প্রতি দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায় সিনেমাটির শেষ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়েছে অ্যাডিলেডের প্যালেস নোভা সিনেমা হলে। সেই আয়োজন আর দর্শকদের অনুভূতি নিয়ে এই প্রতিবেদন। সঙ্গে আছি আমি আন্তারা রাইসা। [ইনট্রো মিউজিক]

রবিবার বিকেলে অ্যাডিলেডের প্রসপেক্টা এলাকার প্যালেস নোভা সিনেমা হলের সামনে দাঁড়ালে বোঝার উপায় ছিল না এটা অস্ট্রেলিয়া নাকি ঢাকার কোন সিনেমা হল। বাংলা ভাষায় আড্ডা, দল বেঁধে ছবি তোলা, পরিচিত কাউকে দেখে হঠাৎ থেমে যাওয়া, সব মিলিয়ে যেন ছোট্ট এক প্রবাসী বাংলাদেশ। দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায় এটাই ছিল বনলতা এক্সপ্রেসের শেষ প্রদর্শনী। আর সেই কারণেই দর্শকদের মধ্যেও ছিল বাড়তি আগ্রহ। হুমায়ূন আহমেদের কিছুক্ষণ অবলম্বনে নির্মিত এই সিনেমাটি মূলত একটি ট্রেন যাত্রার গল্প। তবে এটি শুধু এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাওয়ার গল্প নয়, বরং মানুষের ভেতরের যাত্রার গল্প। একটি রাতের ট্রেন আর সেই ট্রেনের বিভিন্ন বগিতে থাকা ভিন্ন ভিন্ন মানুষের জীবন, সম্পর্ক, না বলা কষ্ট আর ছোট ছোট অনুভূতির মধ্য দিয়েই এগিয়ে যায় সিনেমার গল্প। সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন মোশাররফ করিম, চঞ্চল চৌধুরী, জাকিয়া বাড়ি মমো, আজমীরী হোক বাধন, সাবিলা নূর, শরীফুল রাজ সহ আরও অনেকে। তবে দর্শকদের মতে এই সিনেমার আসল চরিত্র যেন পুরো ট্রেন যাত্রাই। সিনেমার শেষে কথা হয় কয়েকজন দর্শকের সঙ্গে। অ্যাডিলেড ইউনিভার্সিটিতে মাস্টার্সে অধ্যয়নরত সিমরান ফেরদৌস সিথি মাত্র তিন মাস আগে অস্ট্রেলিয়ায় এসেছেন। তিনি বলেন, বাংলাদেশে থাকাকালে বাংলা সিনেমা দেখা কখনোই মিস করতেন না। প্রবাসে এসে বনলতা এক্সপ্রেস বড় পর্দায় দেখতে পারবেন কিনা তা নিয়ে দ্বিধায় ছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত সিনেমাটি দেখতে পেরে তিনি বেশ আনন্দিত।

I think to me অনেক বেশি happy cause আমি যখন ইউনিভার্সিটিতে ছিলাম specially second third year, I don't think আমি Cineplex-এ যে কোন বাংলা movie miss করতাম। Cause I really love to watch যেটাই হোক না কেন। So যখন অস্ট্রেলিয়া আসি আর বনলতা এক্সপ্রেসও আসে and I'm like okay so I'm missing it cause উৎসব দেখলাম full family নিয়ে and এখানে আসলে I th- I thought অ্যাডিলেডে হয়তো screen হবে না। But then যখন screen হয়েছে আমার back to back exams ছিল and then special একটা screening হলো যার জন্য দেখতে So it's, it's wonderful মানে it's very hard to explain in words but আমি really happy.

আপনি যদি one word-এ film-কে describe করতে হয় what would you say?

একশো একশো। আমি যেটা বলব আমার সবচেয়ে ভালো লাগছে like একটাবার হাসছি, একবার কাঁদছি just it's a constant like rollercoaster of emotion.

আরেক দর্শক রাফি কাওসার, যিনি বর্তমানে মাস্টার্স করছেন বলেন, সিনেমাটিতে একসঙ্গে অনেক ধরনের অনুভূতি এবং জীবনের নানা দিক উঠে এসেছে।

আসলে অস্ট্রেলিয়াতে আমরা আসার পরে বাংলাদেশি কোন event-এ attend করাটা অনেক বড় একটা ব্যাপার। কারণ হচ্ছে বাংলাদেশি community এখানে তেমন বড় না first of all। Secondly হচ্ছে গিয়ে বাংলাদেশি event-ও খুব কম হয়। So যখনই আমরা attend অ্যা কোন একটা event-এ attend করি, ওই জিনিসটা আসলেই খুবই emotional and খুবই মানে কি বলে হাস-হাস্যজ্বলও বটে আর কি। হ্যাঁ, এটার মধ্যে emotion আছে, emotional stories আছে, তারপর sadness আছে, তারপর হচ্ছে গিয়ে happinessও আছে। So আমার কাছে মনে হয় এটা একটা মানে overall one and all একটা package। আ- Honestly movieটার মধ্যে অনেকগুলা scene আছে যেগুলা খুবই emotional। But আমার কাছে শ্যামল মালার যে একটা আ story, ওর যে যেটা বলল যে ওর cancer ছিল। ওর হচ্ছে-

Cancer।

হ্যাঁ, হ্যাঁ। ওর character-এর ওই momentটা আমার কাছে অনেক মানে pathetic লাগছে আর কি। ঠিক আছে? যে ও মারা যাবে কয়েকদিন পরে। ডাক্তার বইলা দিছে। কিন্তু ওর wife জানেনা মানে কেউ জানেনা আর কি ব্যাপারটা। ও একাই একা রাখতাছে। So এই ব্যাপারটা আমার কাছে অনেক emotional লাগছে।

প্রায় দুই বছর ধরে অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত ইয়াসির আহমেদ বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে যেসব মানসম্মত বাংলা সিনেমা মুক্তি পাচ্ছে তা দেখে তিনি দেশের চলচ্চিত্র শিল্প নিয়ে আশাবাদী।

আ সেটা যতটুকু আবেগের তার চেয়ে বেশি important হচ্ছে আমি আমার community, আমার friends সবার সাথে এসেছি। এটা খুবই আনন্দের। Even আম অনেক কাজ করার পর, class করার পর খুব একটা সময় হয় না। এর মধ্যে weekend-সে এমন একটা সুযোগ পাওয়া এটা আসলেই আনন্দের। তা একটা part ছিল যেটা আমাকে অনেক touch করছে। সেটা হচ্ছে যখন আ জানতে পারি মোশাররফ করিম তার dead sonকে নিয়ে travel করছেন। বিষয়টা আ খুবই touching ছিল। আসলে এখানে আসার আগে আমার কখনো বাংলাদেশি সিনেমায় দেখা হয়নি। আমি একদমই অভ্যস্ত না। But recently বাংলাদেশের যে যেমন casting হচ্ছে, making গুলা হচ্ছে আমি, আমি amused। আসলে অনেক ভালো হচ্ছে এসব। অনেক improve হচ্ছে।

শুধু বাংলাদেশি দর্শকরাই নন, সিনেমাটি আকৃষ্ট করেছে স্থানীয় অস্ট্রেলিয়ান দর্শকদেরও। সিনেমাটি দেখার পর স্টিভ এবং লিয়ান নামের দুই অস্ট্রেলিয়ান দর্শক জানান, তারা সিনেমাটিকে একই সঙ্গে আবেগঘন এবং মজার মনে করেছেন।

Um it actually was quite similar to a lot of our, our western movies. Reminded me of a movie called Sliding Doors actually. It's about um how sort of, you know, different people, different walks of life come together and how sort of, you know, the future is slightly changed, yeah, depending on who comes together at the time. Yeah, so it was, it was a nice heartfelt kind of movie. It was funny and it was, you know, sad as well. I, I enjoyed it.

I liked the bit where I realized that it was the um the mate, the I don't know, character, his son that was on the, the, the, you know, the body that was on the train. Like I didn't realize that until that moment and that was like a, oh, it was a really nice, sad, somber kind of, yeah, it was nice.

সিনেমাটির চিত্রনাট্যকার স্বাধীন আহমেদ বলেন, বনলতা এক্সপ্রেস মূলত মানুষের গল্প। খুব সাধারণ কিছু মুহূর্ত, সম্পর্ক আর ভ্রমণের অভিজ্ঞতাকে কেন্দ্র করেই সিনেমাটি নির্মাণ করা হয়েছে।

আমরা যখন ডিসাইড করলাম যে আমরা হুমায়ূন আহমেদের কিছুক্ষণ অ্যাডাপ্ট করব, এক্ষেত্রে আসলে আমরা আলাদা করে কখনো ভাবিই নাই যে এটা হুমায়ূন আহমেদের মতো একজন বিখ্যাত কথা সাহিত্যিকের উপন্যাস। কাজেই এটার প্রতি এক ধরনের এক্সপেক্টেশন থাকবে মানুষের। আমরা এটাকে এমনভাবেই ডিল করেছি অ্যাজ ইফ আমরা গল্পটা অরিজিনালি ভেবেছি আরকি। সাধারণত যেটা হয় আমাদের প্রসেসটা হলো যে আমরা প্রথমে একটা গল্প ফাঁদি, গল্পের জন্য যা যা লাগে সেটা আগে ঠিক করে নেই। তারপরে আমরা স্ক্রিনপ্লে স্টেজে যাই। এক্ষেত্রে যেটা হয়েছিল যেহেতু কিছুক্ষণ একটা আটআশি পৃষ্ঠার উপন্যাস। কাজেই এখানে একটা দুই থেকে আড়াই ঘণ্টার সিনেমা বানানোর মতো যথেষ্ট উপাদান ছিল না, দৈর্ঘ্যের কারণেই। তো আমরা শুরু থেকেই জানতাম যে গল্পে আমাদের কিছু পরিবর্তনের চেয়েও বেশি পরিবর্ধন আনতে হবে। আমাদের এটা এক্সপ্যান্ড করতে হবে। তো আমরা শুরুতে ওই এসেন্সটা নিয়ে মূল গল্পটা নিয়ে ওটার ডালপালা মেলার জন্য যা যা দরকার সেটা করেছি। তারপরে আমরা ধরে নিয়েছি যে এটা আমাদের অরিজিনাল গল্প। মানে ওই মাইন্ডসেটে যাবার জন্য। তারপরে আমরা লিখতে বসে গেছি স্ক্রিনপ্লে। হ্যাঁ এখন অবশ্যই যেহেতু হুমায়ূন আহমেদের উপন্যাস কাজেই দর্শকের একটা এক্সপেক্টেশন থাকবে। সেই এক্সপেক্টেশনটা আমাদের ডিল করতে হয়েছে এভাবে যে আমরা জাস্ট ধরে নিয়েছি যে আমরাই দর্শক। এখন আমরা আলাদা প্রেশার আসলে কখনো ফিলই করি নাই। কারণ আমরা আসলে লাইফ লং হুমায়ূন আহমেদ ফ্যানস। ইনফ্যাক্ট উৎসব যখন বের হয়েছিল 2025 এ তখন উৎসব দেখেও কিন্তু বেশিরভাগ মানুষ এই মন্তব্যই করেছিল যে এটা দেখে যেন মনে হলো হুমায়ূন আহমেদের কোনো নাটক দেখলাম। মানে এটা অবশ্যই আমাদের জন্য অনেক বড় একটা কমপ্লিমেন্ট। আবার একই সাথে এটা একটা আমাদের কমফোর্টের জায়গাও। যে আমরা আমাদের রন্ধ্রে রন্ধ্রে এমনিতেই হুমায়ূন আহমেদ নিয়ে ঘুরছি। কাজেই আমরা যদি এটাতে বাড়তি চাপ নিয়ে নেই যে না এটাকে আরও বেশি হুমায়ূন আহমেদ করে তুলতে হবে তাহলেই আসলে গোলমালটা হয়ে যেত। তো আমরা অন্তত দর্শকের রেসপন্স দেখে যতটুকু বুঝতে পারছি সেই গোলমালটা হয়তো হয় নাই। সে কারণেই হয়তো মানুষের এতটা পছন্দ হয়েছে। আর কিভাবে করে আমরা এত এত আলাদা এলিমেন্ট ইনকরপোরেট করলাম এটা তো আসলে আলাদা করে ডাইসেক্ট করা আমাদের জন্য একটু ডিফিকাল্ট। যে একই গল্পে কিভাবে দুঃখ, রাজনীতি, মানুষের আবেগ এবং সাধারণ জীবনের বিভিন্ন ঘটনার মাঝেই ছোট ছোট হাস্যরসের উপাদান এগুলো বের করে আনা এটা আসলে আমরা কখনো কনশাসলি ভাবি না যে এগুলো আমাদের থাকতেই হবে গল্পের মাঝে বা আমাদের প্রেজেন্টেশনের মাঝে। এটা সম্পূর্ণ আসলে একরকম ইন্সটিংচুয়ালি ঘটে যায়। কারণ অ্যাজ এ স্ক্রিনরাইটার ইউ হ্যাভ টু বি রিয়েলি অবজারভেন্ট, ইউ হ্যাভ টু অবজার্ভ রেগুলার লাইফ, ইউ হ্যাভ টু অবজার্ভ রেগুলার পিপল এবং সেখান থেকেই কিন্তু আমাদের উপাদানগুলো চলে আসে। মানে একটা ঘটনা দুঃখভারাক্রান্ত হলেই যে সেখানকার সকল কিছু ওই আমাকে দুঃখের কথা মনে করিয়ে দিবে এটা ভাবার কিছু কোনো কারণ নেই। সো ওইভাবে যখন আমরা রিয়েল লাইফের অবজারভেশনগুলোকে ইনকরপোরেট করতে থাকি তখন আসলে ব্যাপারটা খুব ইজি হয়ে যায়। তো এক্ষেত্রে আসলে ইউ হ্যাভ টু লিভ অ্যাজ এ স্ক্রিনরাইটার, ইউ হ্যাভ টু লিভ অ্যাজ এ ফিল্মমেকার। যে আপনি প্রতিটা মুহূর্তই আসলে আপনার গল্পের নতুন বিষয়বস্তু হিসেবে আপনি ব্যবহার করতে পারেন। তো সেখান থেকেই আসলে অনেক কিছু আপনাআপনি চলে এসেছে। আমাদের প্রতিটা টিমমেটেরই হয়তো রিয়েল লাইফের অনেক এলিমেন্ট এটার মাঝে আছে।

দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়ায় প্রদর্শনীটির আয়োজন করে গ্লোবাল অস্ট্রেলিয়া মিডিয়া অ্যান্ড এন্টারটেইনমেন্ট। প্রতিষ্ঠানটির কর্ণধার নাজিউল বীর খান বলেন, সিনেমাটির প্রদর্শনী শেষ হলেও এখনো দর্শকদের কাছে অতিরিক্ত শোয়ের অনুরোধ পাচ্ছেন তারা। এতে বোঝা যায় প্রবাসে বাংলা সিনেমা নিয়ে দর্শকদের আগ্রহ বাড়ছে।

কবিগুরু বলেছেন, "শেষ হইয়াও হলো না শেষ"। কারিম জিনুরের ভাইয়ের চলচ্চিত্রের সাথে গত বছরের উৎসবেও same আমি এক থার্ড এক্টে স্ক্রিনিং করি। এইটা আমরা গত মাসে শেষ করে দিয়েছিলাম। উনিশ তারিখ আরো দুইটা করতে হলো। মানে Saturday করলাম গত Saturday যেটা first nine to twelve হলো। মানে ten ten and ten ten ten ten তারা চলতি হে কিয়া নসে পারো। এটা Sydney তে খুব popular। আর আজকেও হলো।

You saw how houseful it was but যে people তারপরেও এখনো মানুষ request ইয়া করছে আরকি। আমরা আর মানে শেষ করে দিচ্ছি। কিন্তু মানুষের যদি request থাকে মানে কি করব আরকি যে আজকে মাজারের জন্য অনেকে আসতে পারে নাই। তো ওইটা দেখা যাক আরকি।

প্রবাসী বাংলাদেশীদের জন্য এই ধরনের মুভির আয়োজন করা ঠিক কতটা গুরুত্বপূর্ণ?

এটা আসলে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কারণ হচ্ছে মানে এটা আমাদের যে root শেকড়ের সাথে connect করে আরকি। দেখা যায় যে আজকেও অনেকে আসতেছিল, আসছে যারা তাদের প্রথম বিদেশের মাটিতে দেখা হলো ছবি। আর দমেও same শুনেছি যে মানে আপনারা আজকেই আমাদের first বা এইটা আমরা প্রথম দেখলাম। হ্যাঁ, তো এটা মানে আমাদের শুধু তো ছবি না যে ওই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে শেকড়ের যে টানটা ওটার সাথে connect করা যে ব্যাপারটা। So এরকম যত বেশি প্রদর্শনী হবে, যত বেশি চলচ্চিত্র আসবে, যত বেশি মানুষ দেখতে যাবে ততই ভালো আমাদের সংস্কৃতির জন্য আমি এটাই বলব আরকি।

বর্তমানে অস্ট্রেলিয়ার বিভিন্ন শহরে নিয়মিত বাংলা সিনেমা প্রদর্শিত হচ্ছে। আর এসব আয়োজন শুধু বিনোদনের জায়গাতেই সীমাবদ্ধ থাকছে না। বরং প্রবাসীদের জন্য এটি হয়ে উঠছে ভাষা, সংস্কৃতি আর স্মৃতির সঙ্গে সংযুক্ত থাকার একটি উপলক্ষ।

বনলতা এক্সপ্রেসের শেষ প্রদর্শনীটি নিয়ে প্রতিবেদন শুনলেন। সঙ্গে ছিলাম আমি আন্তারা রাইসা।

END OF TRANSCRIPT

Latest podcast episodes

Follow SBS Bangla

Download our apps

Watch on SBS

SBS Bangla News

Watch it onDemand

Watch now