অস্ট্রেলিয়ায় ঈদ উদযাপনের অভিজ্ঞতা এবং এবারের ঈদের প্রস্তুতি নিয়ে এসবিএস বাংলার সঙ্গে কথা বলেছেন কয়েকজন বাংলাদেশী আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী এবং বাংলাদেশী অস্ট্রেলিয়ান।
পরিবার-পরিজন ছেড়ে, অস্ট্রেলিয়ায় এই প্রথম ঈদ করবেন সেন্ট্রাল কুইন্সল্যান্ড ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী ড. ইসমত আরা। এটা চিন্তা করে তার খুব খারাপ লাগছে বলেন তিনি।
প্রবাসে ঈদ উদযাপন করাটাকে একদম ভিন্ন অভিজ্ঞতা বলে বর্ণনা করেন সিডনির ম্যাকোয়েরি ইউনিভার্সিটির মামদুহা হোসাইন শারিতা।
কমিউনিটির সঙ্গে যুক্ত থাকলে কিছুটা হলেও বাংলাদেশের আবহ অনুভব করা যায়, বলেন তিনি।
প্রবাসে পরিবারের সঙ্গে ঈদ উদযাপন করতে পারেন না আহনাফ ফাইয়াজ সুদীপ্ত।
চার্লস ডারউইন ইউনিভার্সিটির ব্যাচেলর অব আইটির এই শিক্ষার্থী আরও বলেন, এবারের ঈদে তিনি ব্রিসবেনে যাবেন বোনের সঙ্গে ঈদ করার জন্য।
বাংলাদেশী অস্ট্রেলিয়ানরা সবাই মিলে একসঙ্গে ঈদ উদযাপন করার চেষ্টা করে থাকেন, বলেন সুদীপ্ত।
আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সংগ্রামের বিষয়টি অনুভব করেন সিডনির বিডি-হাব এর প্রেসিডেন্ট আব্দুল খান রতন।
ঈদের কথা মনে হলে স্মৃতিকাতর হয়ে পড়েন সিডনির ইলিয়াস চৌধুরী।
বাংলাদেশী অস্ট্রেলিয়ানরা অবশ্য ঈদ উদযাপনের ক্ষেত্রে একটু ভিন্ন রকম সমস্যার সম্মুখীন হন। যারা কাজ করেন, তাদের জন্য ছুটি নেওয়াটা চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়ায়।
এ বিষয়ে একমত পোষণ করেন সিডনির আবুল কালাম আজাদ।
কিছু মানুষ ছুটি নিয়ে ঈদ করতে পারে, সবাই করতে পারে না, বলেন সিডনির নুসরাত জাহান স্মৃতি।
ঈদের প্রস্তুতি ও আয়োজন সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, একেবারেই বাঙালিয়ানার মতই সমস্ত আয়োজন করেন।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও-প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।
এসবিএস বাংলার আরও পডকাস্ট শুনতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট।
আপনি কি জানেন, এসবিএস বাংলা অনুষ্ঠান এখন ইউটিউব এবং এসবিএস অন ডিমান্ডে পাওয়া যাচ্ছে?
এসবিএস বাংলা এখন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় সকল জনগোষ্ঠীর জন্য এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেলের অংশ।
এসবিএস বাংলা লাইভ শুনুন প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় এসবিএস সাউথ এশিয়ান-এ, ডিজিটাল রেডিওতে, কিংবা, আপনার টেলিভিশনের ৩০৫ নম্বর চ্যানেলে। এছাড়া, এসবিএস অডিও অ্যাপ-এ কিংবা আমাদের ওয়েবসাইটে। ভিজিট করুন www.sbs.com.au/bangla.
আর, এসবিএস বাংলার পডকাস্ট এবং ভিডিওগুলো ইউটিউবেও পাবেন। ইউটিউবে সাবসক্রাইব করুন এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেল। উপভোগ করুন দক্ষিণ এশীয় ১০টি ভাষায় নানা অনুষ্ঠান। আরও রয়েছে ইংরেজি ভাষায় এসবিএস স্পাইস।





