আবু শরীফ কামরুজ্জামান বলেন, মূলত কিশোর-তরুণদের বই পড়ার অভ্যাস গড়ে তুলতেই একটি পাঠাগার গড়ে তোলার উদ্যোগ নেন।
তিনি বলেন, 'আমি লক্ষ্য করেছি বাংলাদেশের ঘরে ঘরে মাদকের অপব্যবহার, সামাজিক মূল্যবোধের অভাবে ইভটিজিং, মোবাইল গেম, বেটিং বা জুয়াখেলা, টিকটিকসহ সামাজিক মাধ্যমের অপব্যবহার আশংকাজনক হরে বেড়ে গেছে, আমার উপজেলা নকলাও তার ব্যতিক্রম নয়।'

'তাছাড়া আমাদের এলাকায় এমন কোন নির্মল বিনোদনের সুযোগ নেই যেখানে ছেলেমেয়েদের যুক্ত করা যায়, এমনকি এখানে কোন লাইব্রেরীও নেই।'
তিনি বলেন, 'আমি ও আমার পরিবার যেহেতু নানা ধরণের সামাজিক কল্যানমুলক কাজে যুক্ত, তাই স্থানীয় সাংবাদিক, শিক্ষক ও তরুণদের কাছে থেকে একটি লাইব্রেরী নির্মাণের উদ্যোগের অনুরোধ পাই।'
'তারই প্রেক্ষিতে জেলা প্রশাসক, উপজেলার ইউএনও, স্থানীয় লোকজন ও দেশে-বিদেশে থাকা বন্ধুবান্ধব ও নকলার প্রবাসীদের সহযোগিতায় গড়ে তোলা হয় এই পাঠাগার।'
মি. কামরুজ্জামান বলেন, পাঠাগার প্রতিষ্ঠার পর মানুষের কাছ থেকে অভূতপূর্ব সাড়া পাই। অনেকেই নানাভাবে সহায়তার জন্য এগিয়ে আসছেন।
তিনি বলেন, তাদের পরিকল্পনা এখন ই-লাইব্রেরী করা, লাইব্রেরীর কার্যক্রমকে ডিজিটালাইজেশন করা।

এজন্য তিনি সহায়তা নিচ্ছেন একজন তথ্যপ্রযুক্তিবিদ বাবুল মৃধার যিনি সম্প্রতি বাংলাদেশের বেসরকারী লাইব্রেরীগুলোর ডিজিটালাইজেশনের জন্য কাজ করে প্রশংসিত হয়েছেন। তিনি তার 'আলোর ফেরি' অ্যাপসের মাধ্যমে বিনামূল্যে এই সহযোগিতা দেবেন বলে জানান আবু শরীফ কামরুজ্জামান।
পুরো সাক্ষাৎকারটি শুনতে উপরের অডিও প্লেয়ারে ক্লিক করুন।
এসবিএস বাংলার অনুষ্ঠান শুনুন রেডিওতে, এসবিএস বাংলা রেডিও অ্যাপ-এ এবং আমাদের ওয়েবসাইটে, প্রতি সোম ও শনিবার সন্ধ্যা ৬ টা থেকে ৭ টা পর্যন্ত। রেডিও অনুষ্ঠান পরেও শুনতে পারবেন, ভিজিট করুন: এসবিএস বাংলা
আমাদেরকে অনুসরণ করুন ফেসবুকে













