মিঃ নুরুল রাশেদ চৌধুরী স্বল্প ও মুক্তধারার চলচ্চিত্র আন্দোলন এবং সাংগঠনিক কাজে যুক্ত আছেন দীর্ঘদিন ধরে। তিনি ঢাকা থেকে টেলিফোনে কথা বলেছেন এসবিএস বাংলার সাথে, ব্যক্ত করেছেন তার চলচ্চিত্র নির্মাণের অভিজ্ঞতার কথা।
গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো
- মধ্যযুগের কবি চন্দ্রাবতীর রচিত বেশ কিছু ব্যালাড বা লোকগাথা পাওয়া যায়, এর মধ্যে রামায়ণ লোকগাথার জন্য তিনি বিখ্যাত।
- নবনীতা দেব সেনসহ বেশ কয়েকজন সাহিত্য সমালোচক তার রামায়ণ লোকগাথাটির জন্য তাকে নারীবাদী কবি বলে চিহ্নিত করেন।
- 'চন্দ্রাবতী কথা' অস্ট্রেলিয়ার ব্রিসবেনে 'এশিয়া প্যাসিফিক স্ক্রিন এওয়ার্ড- ২০২০' তে বাংলাদেশের একমাত্র কাহিনীচিত্র হিসেবে প্রতিযোগিতা বিভাগে নির্বাচিত হয়েছিল।

মিঃ রাশেদ চৌধুরী জানান, চলচ্চিত্রটির নির্মাণ প্রক্রিয়া শুরুর প্রায় ৫ বছর আগে থেকেই তিনি এর পরিকল্পনা করেছিলেন।
তিনি বলেন, "ময়মনসিংহ গীতিকা তথা মধ্যযুগের সাহিত্য-সম্পদ নিয়ে আমাদের এখানে খুবই কম চর্চা হয়েছে - এ ভাবনা থেকেই ছবিটি নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।"
মিঃ রাশেদ চৌধুরী বলেন, চন্দ্রাবতী যে রামায়ণ লিখেছেন, তাতে রামের কোন অস্তিত্ব পাওয়া যায় না, এটি বরং সীতাকে কেন্দ্র করে রচিত।
তিনি জানান, রমজান মাসে ছবিটি নিয়ে প্রচারণা চালানো এবং ঈদের পরে সিনেমা হলে মুক্তি দেয়ার পরিকল্পনা আছে তার।

"বাংলাদেশে ইদানিং ইন্ডিপেন্ডেন্ট ঘরানার কিছু ছবি হলে মুক্তি পাচ্ছে, সেগুলো দর্শকপ্রিয়তাও পাচ্ছে।''
মিঃ রাশেদ চৌধুরী স্বল্প ও মুক্তধারার চলচ্চিত্র আদোলন এবং সাংগঠনিক কাজে যুক্ত আছেন দীর্ঘদিন ধরে।
তিনি বলেন, "ইন্ডিপেডেন্ট বা আর্ট হাউজ ফিল্মগুলোই আসলে বহির্বিশ্বে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছে।"
ছবিতে চন্দ্রাবতীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন দিলরুবা হোসেন দোয়েল। এছাড়াও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইমতিয়াজ বর্ষণ, জয়ন্ত চট্টোপাধ্যায়, কাজী নওশাবা আহমেদসহ বেশ কয়েকজন নাট্যকর্মী।

চিত্রগ্রহণ করেছেন সায়িদ কাশেফ শাহবাজী, সম্পাদনায় ছিলেন শঙ্খজিত বিশ্বাস এবং সমীর আহমেদ, শব্দ সম্পাদনা করেছেন রতন পাল এবং শিল্প নির্দেশনা দিয়েছেন তরুণ ঘোষ।
মিঃ রাশেদ চৌধুরীর পুরো সাক্ষাৎকারটি শুনতে ওপরের অডিও প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।
আরো দেখুন:








