ব্যাপারটা কাকতালীয় হলেও সত্য যে, বাংলা নববর্ষের প্রাক্কালেই বাংলাদেশি কার্টুনিস্টের বিশেষ স্টিকার 'ড্রুগো' অনুমোদন করেছে ফেসবুক। যা কিনা পোষা ড্রাগনের চরিত্র। ফেসবুক এই প্রথম বাংলাদেশি কোনো কার্টুনিস্টের স্টিকার অনুমোদন দিল। এখন অনেকেই মেসেঞ্জার চ্যাট এবং পোস্টে অনুভূতি প্রকাশের জন্য লেখার পরিবর্তে অ্যানিমেটেড চরিত্র বা স্টিকার ব্যবহার করেন। স্টিকার হিসেবে ড্রুগোকে ব্যবহারের আহ্বান জানিয়েছে ফেসবুক। কাল্পনিক চরিত্র ড্রুগোর নির্মাতা হচ্ছেন বাংলাদেশি জনপ্রিয় কার্টুনিস্ট যমজ মানিক ও রতন। তারা দু'জনেই গ্রাফিক্স ডিজাইনার এবং অ্যানিমেটর। ড্রুগো এবং তাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে এসবিএস বাংলার সাথে কথা বলেছেন মানিক- রতন। ফোনালাপের বিস্তারিত উপরের অডিও লিঙ্কে।
ফেসবুক স্টিকার বিভাগের দেয়া তথ্য মতে, ১৪ এপ্রিল থেকেই ড্রুগো চরিত্রটির ওপর বিশেষ স্টিকার সেট (২০টি) এখন ফেসবুকের স্টিকার স্টোরে পাওয়া যাচ্ছে।
যদিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম 'ইনস্টাগ্রামে' প্রথম ড্রুগো ব্যবহার হয়েছিল এবং তা ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে।

কার্টুনিস্ট হিসেবে তাদের আগামীর পরিকল্পনা কি? এমন প্রশ্নের জবাবে মানিক- রতন বলেন, "ড্রুগোকে নিয়ে অ্যানিমেশন মুভি বানানোর পরিকল্পনা করছি আমরা।"






