আপনি অস্ট্রেলিয়ার কোথায় থাকেন, তার ওপর নির্ভর করে পুলিশের ক্ষমতা ভিন্ন হতে পারে। তবে আঞ্চলিক পার্থক্য থাকলেও, পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের সময় কিছু সাধারণ আইন প্রয়োগের প্রক্রিয়া ও অধিকার সারা দেশেই প্রযোজ্য। এবার 'অস্ট্রেলিয়া এক্সপ্লেইনড' পর্ব থেকে এ নিয়ে একটি ফীচার।
গুরুত্বপূর্ণ দিকগুলো
- স্টেট ও টেরিটরিভেদে পুলিশের ক্ষমতা ভিন্ন হতে পারে।
- ব্রেথ টেস্ট দিতে অস্বীকৃতি জানানো একটি অপরাধ।
- আইন অনুযায়ী আপনাকে পরিচয়সংক্রান্ত তথ্য দিতে হতে পারে, তবে অতিরিক্ত প্রশ্নের উত্তর না দেওয়ার অধিকার আপনার থাকতে পারে।
- পুলিশের সঙ্গে কোনো ঘটনার বিষয়ে উদ্বেগ থাকলে আইনি পরামর্শ নিন।
জনসমাগমস্থলে বা গাড়ি চালানোর সময় পুলিশ আপনাকে থামালে, আপনার অধিকার ও দায়িত্ব সম্পর্কে জানা থাকলে বুঝতে পারবেন পুলিশ কী করতে পারে, কী করতে পারে না, কীভাবে আপনার আইনি অধিকার রক্ষা করবেন এবং আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করবেন।
পুলিশ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন ধরনের আইনি ক্ষমতা
অস্ট্রেলিয়ায় জনশৃঙ্খলা বজায় রাখা, অপরাধ তদন্ত করা এবং ট্রাফিক আইন প্রয়োগের জন্য আইন অনুযায়ী পুলিশ কর্মকর্তাদের বিভিন্ন ধরনের আইনি ক্ষমতা রয়েছে।
এর মধ্যে রয়েছে প্রশ্ন করার, ‘মুভ অন’ নির্দেশ দেওয়ার এবং তল্লাশি চালানোর ক্ষমতা, তবে শুধুমাত্র আইনে নির্ধারিত পরিস্থিতিতেই।
নিউ সাউথ ওয়েলস-এর রেডফার্ন লিগ্যাল সেন্টার-এর অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রিন্সিপাল সলিসিটর সামান্থা লি বলেন, অস্ট্রেলিয়ায় জন্মেছেন কিংবা নতুন এসেছেন, এমন অনেক মানুষই পুলিশের ক্ষমতার সীমা সম্পর্কে জানেন না, যেমন কোন পরিস্থিতিতে পুলিশ বলপ্রয়োগ করতে পারে, এটা অনেকেরই অজানা।
তারা নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে বলপ্রয়োগ করতে পারে, তবে শুধুমাত্র তখনই, যখন পরিস্থিতি বিবেচনায় তা যুক্তিসঙ্গতভাবে প্রয়োজনীয় হয়।সলিসিটর সামান্থা লি
তিনি বলছেন, “মানুষের এটা জানা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, কেউ পুলিশ কর্মকর্তা হলেই তিনি বলপ্রয়োগ করার অধিকার পান না। নির্দিষ্ট কিছু পরিস্থিতিতে, যদি তা পরিস্থিতির বিচারে যুক্তিসঙ্গতভাবে প্রয়োজনীয় হয়, তখনই তারা বলপ্রয়োগ করতে পারেন।”
এটাও মনে রাখা জরুরি যে, একেকটি বিচারব্যবস্থায় আইন একেক রকম।

তিনি বলছেন, “প্রতিটি স্টেট ও টেরিটরির পুলিশের ক্ষমতা সম্পর্কিত নিজস্ব আইন রয়েছে। তাই আপনাকে আপনার স্টেট বা টেরিটরির আইন সম্পর্কে জেনে নিতে হবে।”
পুলিশ কী পরিচয়পত্র দেখতে চাইতে পারে?
আঞ্চলিক পার্থক্য থাকলেও, অস্ট্রেলিয়াজুড়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগের ক্ষেত্রে কিছু সাধারণ আইনি নীতি প্রযোজ্য।
মিস লি কয়েকটি উদাহরণ দিয়েছেন।
তিনি বলছেন, “উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, অস্ট্রেলিয়ার কোনো স্টেট বা টেরিটরিতেই সব সময় পরিচয়পত্র (বা ID) সঙ্গে বহন করার আইনি বাধ্যবাধকতা নেই। তবে কিছু নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে পুলিশ আপনার পরিচয়পত্র চাইতে পারে। পুলিশ কেন আপনাকে থামিয়েছে এবং কেন আপনার পরিচয়পত্র চাইছে, সেটাও তাদের জানানো উচিত। পুলিশের সঙ্গে যেকোনো পরিস্থিতিতে মানুষের জন্য আমার একমাত্র পরামর্শ হলো, কথা বলার আগে তাদের বলতে হবে যেন তারা তাদের বডি-ওয়ার্ন ভিডিও চালু করেন। ভিডিও চালু হলে তাদের জিজ্ঞাসা করুন কেন আপনাকে থামানো হয়েছে।”
তাহলে, কোন পরিস্থিতিতে একজন পুলিশ কর্মকর্তা আপনার পরিচয়পত্র চাইতে পারেন?
ইনার মেলবোর্ন কমিউনিটি লিগ্যাল-এর ডিরেক্টর অব লিগ্যাল প্র্যাকটিস মার্লিন ডিকসন প্রধান কয়েকটি পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করেন।

তিনি বলছেন, “প্রথমত, যদি পুলিশ মনে করে কেউ কোনো অপরাধ করেছে বা করতে যাচ্ছে। দ্বিতীয়ত, কেউ যদি গাড়ি বা নৌযান চালান, তাহলে তাকে লাইসেন্স বা পারমিট দেখাতে হবে। কেউ যদি গণপরিবহনে থাকেন, তাহলে ইনস্পেক্টর, প্রোটেকটিভ সার্ভিস অফিসার এবং পুলিশ পরিচয়পত্র চাইতে পারেন। এছাড়া, কেউ যদি এমন কোনো স্থানে থাকেন যেখানে অ্যালকোহল পরিবেশন করা হয়, সেখানেও পরিচয়পত্র চাইতে পারে। আর শেষ পরিস্থিতি হলো, যদি পুলিশ বিশ্বাস করে যে ওই ব্যক্তির কাছে এমন তথ্য রয়েছে যা গুরুতর অপরাধ তদন্তে সহায়ক হতে পারে।”
তবে অস্ট্রেলিয়ার অধিকাংশ স্টেট ও টেরিটরিতে গাড়ি চালানোর সময় আপনার সঙ্গে একটি বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স থাকা বাধ্যতামূলক। তবে কিছু স্টেট ও টেরিটরিতে, পুলিশের অনুরোধের সময় লাইসেন্স দেখাতে না পারলে, তা পরে একটি পুলিশ স্টেশনে উপস্থাপনের জন্য আপনাকে সর্বোচ্চ দুই দিন পর্যন্ত সময় দেওয়া হতে পারে।
রেন্ডম ব্রেথ টেস্ট
অস্ট্রেলিয়াজুড়ে পুলিশ যখন লাইট বা সাইরেন চালু করে, অথবা রেন্ডম ব্রেথ টেস্ট-এর জন্য থামার নির্দেশ দেয়, তখন চালকদের গাড়ি থামানো বাধ্যতামূলক।
মিস ডিকসন ব্যাখ্যা করেন।
“মানুষকে গাড়ি থামানো এবং ব্রেথ টেস্ট দিতে বলার ক্ষেত্রে পুলিশের ক্ষমতা অনেক। এটি খুবই স্পষ্ট একটি বিষয় যে, আপনাকে ব্রেথ টেস্ট দিতে হবে। যদি আপনি তা না করেন, তাহলে আপনার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ আনা হতে পারে। আর এর শাস্তিও বেশ কঠোর।”
অনেক ক্ষেত্রে পুলিশের সঙ্গে কথোপকথনের সময়, প্রয়োজন হলে পরিচয় দেওয়া ছাড়া অতিরিক্ত প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার কোনো আইনি বাধ্যবাধকতা আপনার নেই।
ব্রিসবেন-এর ক্যাক্সটন লিগ্যাল সেন্টার-এর লিগ্যাল প্র্যাকটিস ডিরেক্টর ক্লেয়ার কোলস বলেন, আইন যতটুকু তথ্য দিতে বলে, তার বেশি তথ্য না দিয়েও আপনি ভদ্র ও সহযোগিতাপূর্ণ থাকতে পারেন।
তিনি বলছেন, “পুলিশের সঙ্গে কথা বলার সময় যতটা সম্ভব সহযোগিতাপূর্ণ হওয়া উচিত। তবে তাদের এটাও বুঝতে হবে যে, মানুষকে প্রশ্নের উত্তর দিতে বাধ্য করার ক্ষেত্রে পুলিশের ক্ষমতারও সীমা রয়েছে। এবং তাদের মনে রাখতে হবে যে, তাদের নীরব থাকার অধিকার রয়েছে এবং এমন কিছু না বলার অধিকার রয়েছে যা তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অপরাধে প্রমাণ হিসেবে ব্যবহৃত হতে পারে।”
পুলিশের মুভ-অন ক্ষমতা কী?
পুলিশের আরেকটি ক্ষমতা হলো মুভ-অন ডিরেকশন।
জনসমাগমস্থলে পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে এই আইনি নির্দেশ দিতে পারে, যাতে আপনাকে একটি নির্দিষ্ট এলাকা ছেড়ে যেতে এবং নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত যা সাধারণত সর্বোচ্চ ২৪ ঘণ্টা হয়ে থাকে, সেই এলাকা থেকে দূরে থাকতে বলা হয়।
প্রতিটি স্টেট ও টেরিটরির আইনে নির্ধারণ করা আছে, কোন কোন কারণে পুলিশ মুভ-অন ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
এর মধ্যে রয়েছে এমন পরিস্থিতি, যখন কোনো কর্মকর্তা যুক্তিসঙ্গতভাবে মনে করেন যে আপনি যান চলাচলে বাধা সৃষ্টি করছেন, অন্য কাউকে হয়রানি করছেন বা নিরাপত্তার ঝুঁকি তৈরি করছেন।
মিস কোলস বলেন, পুলিশ কেন কোনো নির্দিষ্ট ক্ষমতা প্রয়োগ করছে, তা জানতে চাওয়া আপনার অধিকার। যেমন, কেন তারা মুভ-অন ডিরেকশন দিচ্ছে।
তিনি বলছেন, “মানুষের অধিকার আছে ভদ্রভাবে, আক্রমণাত্মক আচরণ না করে, পুলিশকে জিজ্ঞাসা করার। কেন তারা তাদের সঙ্গে কথা বলছে, কী তথ্য চাইছে বা কেন কিছু করতে বলছে। উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনাকে কোনো স্থান ছেড়ে যেতে বা একটি এলাকা থেকে সরে যেতে বলা হয়, তাহলে কেন, কতক্ষণের জন্য এবং কোথায় যেতে হবে, এসব বিষয় ভালোভাবে বুঝে নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।”
আপনার ও পুলিশের কথোপকথন ভিডিও করা
যদি পুলিশের সঙ্গে আপনার কথোপকথন জনসমাগমস্থলে হয়, তাহলে কী ঘটছে তা আপনি রেকর্ডও করতে পারেন।
অন্য কেউ আপনার ও পুলিশের কথোপকথন ভিডিও করতে পারেন। আর ভিডিও ধারণকারী ব্যক্তি যদি পুলিশের কাজে বাধা না দেন, তাহলে পুলিশ সেই ফোন বা ডিভাইস জব্দ করতে পারে না।
ইনার মেলবোর্ন কমিউনিটি লিগ্যাল-এর মিস ডিকসন আরো বলেন, “যে ব্যক্তি ভিডিও করছে, তার কাছ থেকে পুলিশ ডিভাইস নিয়ে নিতে পারে না। তাই মানুষ পুলিশকে ভিডিও করতে পারে। তবে তা অবশ্যই কিছুটা দূরত্ব বজায় রেখে এবং সম্মানজনকভাবে করতে হবে, যাতে পুলিশের কাজে কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়।”
জনসমাগমস্থলে পুলিশ বিভিন্ন মাত্রার তল্লাশির ক্ষমতা
পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে জনসমাগমস্থলে পুলিশ বিভিন্ন মাত্রার তল্লাশির ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারে।
তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে, তল্লাশি চালানোর আগে পুলিশের কাছে যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ থাকতে হবে যে আপনি কোনো অপরাধ করেছেন, অথবা তল্লাশি চালানোর অন্য কোনো আইনসম্মত কারণ থাকতে হবে।
যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ অবশ্যই বাস্তব তথ্যের ভিত্তিতে হতে হবে; এটি শুধু অনুমান বা আন্দাজ হতে পারে না।
রেডফার্ন লিগ্যাল সেন্টার-এর মিস লি একটি উদাহরণ দেন।
তিনি বলছেন, “যেমন, কোনো ট্রেন স্টেশনে ড্রাগ ডগ কোনো ইঙ্গিত দিলে পুলিশ আপনাকে কিছু প্রশ্ন করার ক্ষমতা পায়। কিন্তু শুধু সেটির ভিত্তিতে আপনাকে তল্লাশি করার ক্ষমতা পায় না। ড্রাগ ডগ-এর ইঙ্গিতের পর আপনাকে তল্লাশি করতে হলে তাদের যুক্তিসঙ্গত সন্দেহ গঠন করতে হবে। উদাহরণস্বরূপ, তারা যদি দেখে আপনি পকেট থেকে মাদক ফেলে দিয়েছেন, তাহলে সেটি একটি কারণ হতে পারে।”

সবশেষে মনে রাখবেন, অস্ট্রেলিয়াজুড়ে পুলিশকে আইন মেনে এবং প্রতিষ্ঠিত প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই কাজ করতে হয়।
মিস লি বলেন, যদি আপনার মনে হয় পুলিশ তাদের আইনি ক্ষমতার সীমা অতিক্রম করেছে, তাহলে কী ঘটেছে তার রেকর্ড রাখা এবং যত দ্রুত সম্ভব আইনি পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
আপনাকে অবশ্যই ব্রেথ টেস্টে (শ্বাস পরীক্ষা) অংশ নিতে হবে। আপনি তা করতে অস্বীকৃতি জানালে, আপনার বিরুদ্ধে অপরাধের অভিযোগ আনা হতে পারে।মার্লিন ডিকসন, ইনার মেলবোর্ন কমিউনিটি লিগ্যাল-এর ডিরেক্টর অব লিগ্যাল প্র্যাকটিস
তিনি বলছেন, “উদাহরণস্বরূপ, যদি আপনার মনে হয় পুলিশ বেআইনিভাবে আচরণ করেছে, অথবা অশোভন আচরণ করেছে, কিংবা আপনার জাতিগত পরিচয় নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্য করেছে, তাহলে সঙ্গে সঙ্গে বা বাড়ি ফিরে লিখে রাখুন কী ঘটেছিল। যদি আপনি ঘটনাটি ভিডিও করে থাকেন, তাহলে সেই ফুটেজ সংরক্ষণ করুন। যদি আপনি আহত হয়ে থাকেন, তাহলে দ্রুত একজন ডাক্তারের কাছে যান, আঘাতের রিপোর্ট সংগ্রহ করুন এবং যেকোনো ক্ষত বা কালশিটের ছবি তুলে রাখুন। এরপর কোন কমিউনিটি লিগ্যাল সেন্টার বা আইনজীবীর কাছে গিয়ে আইনি পরামর্শ নিন।”

নিজের অধিকার জানা মানে পুলিশের সঙ্গে সহযোগিতা করতে অস্বীকৃতি জানানো নয়।
এর অর্থ হলো, আইন আপনার এবং যেসব পুলিশ কর্মকর্তার সঙ্গে আপনার যোগাযোগ হচ্ছে, উভয়ের কাছ থেকেই কী প্রত্যাশা করে তা বোঝা, যাতে কোনো দিন পুলিশ আপনাকে থামালে আপনি শান্ত ও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে পারেন।
* এই তথ্যটি সাধারণ প্রকৃতির এবং এটি সব ধরনের পরিস্থিতি বা বিভিন্ন স্টেট ও টেরিটরির প্রযোজ্য সব আইনকে অন্তর্ভুক্ত করে না। আপনার নির্দিষ্ট পরিস্থিতির জন্য প্রযোজ্য তথ্য জানতে আইনগত পরামর্শ নেওয়া উচিত।
অস্ট্রেলিয়ায় নতুন জীবনে মানিয়ে নেওয়ার জন্য আরও মূল্যবান তথ্য ও পরামর্শ পেতে অস্ট্রেলিয়া এক্সপ্লেইন্ড (Australia Explained) পডকাস্টটি সাবস্ক্রাইব করুন বা অনুসরণ করুন।
আপনার কি কোনো প্রশ্ন বা বিষয়ের ধারণা আছে?
ইমেইল করুনঃ australiaexplained@sbs.com.au
সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি পড়তে উপরের অডিও প্লেয়ারে ক্লিক করুন।
Follow SBS Bangla on FACEBOOK.
এই লিঙ্কে ক্লিক করে নতুন এসবিএস রেডিও অ্যাপ ডাউনলোড করুন
এসবিএস বাংলার আরও পডকাস্ট শুনতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট।
আপনি কি জানেন, এসবিএস বাংলা অনুষ্ঠান এখন ইউটিউব এবং এসবিএস অন ডিমান্ডে পাওয়া যাচ্ছে?
এসবিএস বাংলা এখন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় সকল জনগোষ্ঠীর জন্য এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেলের অংশ।
এসবিএস বাংলা লাইভ শুনুন প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় এসবিএস সাউথ এশিয়ান-এ, ডিজিটাল রেডিওতে, কিংবা, আপনার টেলিভিশনের ৩০৫ নম্বর চ্যানেলে। এছাড়া, এসবিএস অডিও অ্যাপ-এ কিংবা আমাদের ওয়েবসাইটে। ভিজিট করুন www.sbs.com.au/bangla.
আর, এসবিএস বাংলার পডকাস্ট এবং ভিডিওগুলো ইউটিউবেও পাবেন। ইউটিউবে সাবসক্রাইব করুন এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেল। উপভোগ করুন দক্ষিণ এশীয় ১০টি ভাষায় নানা অনুষ্ঠান। আরও রয়েছে ইংরেজি ভাষায় এসবিএস স্পাইস।
Read more about SBS’s use of AI





