Watch FIFA World Cup 2026™

LIVE, FREE and EXCLUSIVE

অন্ধকার ভেদ করে আশার গল্প; ‘দ্য ব্লাইন্ড উইশ’ সমাজের ভিন্ন এক বাস্তবতার চলচ্চিত্র - ১ম পর্ব

vlcsnap-2025-09-16-08h08m43s971.png

Actor Mouli Ganguly, Debolina Modak Sadhu and a co-artist are seen in a new Bangla film called The Blind Wish. Credit: Tiyasha Movies/ Cinema Neorealism

দ্য ব্লাইন্ড উইশ নামে একটি নতুন চলচ্চিত্র শীঘ্রই দর্শকরা দেখার সুযোগ পেতে যাচ্ছেন। সিনেমাটি ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক দর্শকদের জন্য নির্মিত বলে জানাচ্ছেন নির্মাতারা।


'দ্য ব্লাইন্ড উইশ' ছবিটি তিয়াশা মুভিজ ও সিনেমা নিও-রিয়ালিজমের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এবং এর গল্প, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন রুচিন ভীণা চেইনপুরি।

সম্প্রতি ছবিটির একটি মিউজিক ভিডিও রিলিজ করা হয়েছে।

এই ছবির নির্মাতা ও কলাকুশলীরা এসবিএস বাংলার সাথে কথা বলেছেন।

পুরো সাক্ষাৎকারের প্রথম পর্বে আজ আমাদের সাথে এই ছবির নির্মাতা রুচিন ভীণা চেইনপুরি, প্রযোজক কাজরী মোদক, অস্ট্রেলিয়া-প্রবাসী অভিনেতা মৌলি গাঙ্গুলি রয়েছেন। আলোচনা করব সিনেমাটি নির্মাণের নানা দিক নিয়ে।

এই ছবির নির্মাতা রুচিন ভীণা চেইনপুরি জানান, সিনেমাটির কাহিনী মূলত একজন দৃষ্টিহীন যুবক এবং তার পরিবারের জীবনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত, যেখানে এক নিবেদিতপ্রাণ বোন পুরো সংসারের দায়িত্ব একাই সামলায়।

এই ছবির প্রযোজক কাজরী মোদক তার দীর্ঘদিনের পেশাদার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং জানান কীভাবে একটি ছোট গল্পের ভাবনা থেকে ছবিটি শেষ পর্যন্ত একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে রূপান্তরিত হলো।

অস্ট্রেলিয়া-প্রবাসী অভিনেতা মৌলি গাঙ্গুলি ছবিতে তার চরিত্র সম্পর্কে বলেন, "আমার রোলটা হচ্ছে ডক্টর চ্যাটার্জি, আমি অন্ধ ছেলেটির চোখটা অপারেশন করে আলো দিচ্ছি।"

তিনি আরো বলেন, গল্পের মূল বিষয়বস্তু হলো অন্ধকারের জগত থেকে আলোর পথে যাত্রা এবং একটি পরিবারের মধ্যকার আবেগপূর্ণ জটিলতা।

ছবির কলাকুশলীরা আরো জানান, 'দ্য ব্লাইন্ড উইশ' একটি শিক্ষণীয় ও মানবিক আবেদনের চলচ্চিত্র যা সমাজের ভিন্ন এক বাস্তবতাকে রূপালী পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছে।

সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও-প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।

Follow SBS Bangla on FACEBOOK.

এই লিঙ্কে ক্লিক করে নতুন এসবিএস রেডিও অ্যাপ ডাউনলোড করুন

এসবিএস বাংলার আরও পডকাস্ট শুনতে ভিজিট করুন আমাদের ওয়েবসাইট

আপনি কি জানেন, এসবিএস বাংলা অনুষ্ঠান এখন ইউটিউব এবং এসবিএস অন ডিমান্ডে পাওয়া যাচ্ছে?

এসবিএস বাংলা এখন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় সকল জনগোষ্ঠীর জন্য এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেলের অংশ।

এসবিএস বাংলা লাইভ শুনুন প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় এসবিএস সাউথ এশিয়ান-এ, ডিজিটাল রেডিওতে, কিংবা, আপনার টেলিভিশনের ৩০৫ নম্বর চ্যানেলে। এছাড়া, এসবিএস অডিও অ্যাপ-এ কিংবা আমাদের ওয়েবসাইটে। ভিজিট করুন www.sbs.com.au/bangla.

আর, এসবিএস বাংলার পডকাস্ট এবং ভিডিওগুলো ইউটিউবেও পাবেন। ইউটিউবে সাবসক্রাইব করুন এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেল। উপভোগ করুন দক্ষিণ এশীয় ১০টি ভাষায় নানা অনুষ্ঠান। আরও রয়েছে ইংরেজি ভাষায় এসবিএস স্পাইস

Read more about SBS’s use of AI

[প্রারম্ভিক সুর]

The Blind Wish নামে একটি নতুন চলচ্চিত্র শীঘ্রই দর্শকরা দেখার সুযোগ পেতে যাচ্ছেন। সিনেমাটি ভারতীয় ও আন্তর্জাতিক দর্শকদের জন্য নির্মিত বলে জানাচ্ছেন নির্মাতারা। ছবিটি Tiasha Movies ও Cinema New Realism এর যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এবং এর গল্প, চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন রুচিন ভিনা চেইনপুরি। সম্প্রতি ছবিটির একটি music video release করা হয়েছে। এই ছবির নির্মাতা ও কলা-কুশলীরা SBS বাংলার সাথে কথা বলেছেন। পুরো সাক্ষাৎকারের প্রথম পর্বে আজ আমাদের সাথে এই ছবির নির্মাতা রুচিন ভিনা চেইনপুরি, প্রযোজক কাজরি মোদক এবং অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী অভিনেতা মৌলি গাঙ্গুলি রয়েছেন। আলোচনা করব সিনেমাটির নির্মাণের নানা দিক নিয়ে। অস্ট্রেলিয়ার বহুভাষিক গণমাধ্যম Special Broadcasting Service বা SBS এর বাংলা বিভাগ থেকে আপনাদের সাথে আছি আমি শাহান আলম।

[প্রস্তুতি সুর]

প্রথমেই প্রশ্ন করি নির্মাতা রুচিন ভিনা চেইনপুরির কাছে। তিনি জানান, সিনেমাটির কাহিনী মূলত একজন দৃষ্টিহীন যুবক এবং তার পরিবারের জীবনকে কেন্দ্র করে আবর্তিত, যেখানে একজন নিবেদিতপ্রাণ বোন পুরো সংসারের দায়িত্ব একাই সামলান।

This film is all about uh of a boy who is blind as the caption itself suggests The Blind Wish. And this story of that boy along with his family, especially Tuki, her elder sister, and his journey towards uh life, how he looks towards life, his perspective towards life, towards society once he gets his vision. So this film is all about the, the perspective of life and the surroundings and the society through that uh boy who is blind um right from his childhood. See, so it carries a philosophy of life-

হুম

...how an individual who is physically challenged, I mean initially, and once he gets the vision, how he looks towards his world, surroundings and-- It all came during COVID time when we all were struggling, the entire world was struggling, and we all were confined to our, to our bedrooms and our flats and all. And we saw a completely different world, free from chaos, but still a silent world and very horrifying world, I would say. So there itself, when I was at home in my Patna, when everything was going through lockdown, this idea came, stuck, one-liner idea came from darkness to light. Life from darkness to light. And then this idea I conceptualized and it came all automatically it came and then I wrote it in a, in a screenplay manner. Uh, for me, like, uh, if you're talking about women, for me, women are just like an re-reincarnation, incarnation of Maa Durga. I mean, they are multitaskers. And th-that is the big difference between, I mean, no gender bias, but big difference between a male and a female. And in my film also, this character Tuki, which is being played by Debolina, uh, this character is very affirmative, very affirmative, determined, and she takes her struggle as a challenge. I mean, she never complains for anything. And with consummates, she carries on with her, with her responsibilities from every end. So just like Maa Durga, she is a multitasker handling her own life, handling her brother's life, handling her personal life, handling her economic, I mean, this, this family is struggling with funds and, uh, so she's earning also. So this, for me, a woman is just like an incarnation of Maa Durga, I say, because she has that power to handle every situation.

এই ছবির প্রযোজক কাজরি মোদক তার দীর্ঘদিনের পেশাদার অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন এবং জানান কিভাবে একটি ছোট গল্পের ভাবনা থেকে ছবিটি শেষ পর্যন্ত একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে রূপান্তরিত হলো।

আসলে এই ছবিটা রুচিংবিনা চেইনপুরি আমাদের, আমি একটা festival করি, uh, গুলদাপুর International Film Festival, সেখানকার আমি কর্ণধার। তা সেখানে রুচিনের তিনখানা গল্প তিনবার, দুটো short film এবং একটা feature film এর winner হয়েছেন। সেখান থেকে উনি পাটনায় থাকেন। হ্যাঁ, কিন্তু ওখান থেকে ওনার সঙ্গে আমাদের পরিচয় হয়েছে। তারপরে রুচিন বলল যে আমি কলকাতায় একটা বাংলা ছবি করতে চাই। আম, আপনি যদি কিছুটা মানে production-এ থাকেন। আমি বললাম ঠিক আছে গা, গল্পটা শুনি। গল্প শুনে মানে ওইটা actually আমরা actually short film-এর জন্যই প্রথমে শুরু করেছিলাম। কিন্তু গল্পটা এত ভালো দাঁড়িয়েছে, এত সুন্দর হয়েছে যে সেটাকে আমরা feature-এ রূপান্তরিত করলাম। আর গল্প তো আপনি শুনেছেন, রুচিংবিনা চেইনপুরি আপনাকে বলেছেন। মানে গল্পের একটা দিক আছে, একটা bright future আছে। তার জন্য একটা শিক্ষণীয় ব্যাপার আছে। সব মিলিয়ে গল্পটা খুবই ভালো লেগেছে। টাকা-পয়সা তো যেহেতু আমি producer, আমাকে তো কিছুটা তো মানে আমরা দুজন মিলে করছি। রুচিংবিনাও মানে ও রুচিংবিনাও করছে। আমরা দুজনে মিলে jointly আমরা এই productionটা চালাচ্ছি। মানে arrange করি নি, নিজেদের থেকেই করছি। হ্যাঁ, সেটা হচ্ছে অনেক ছবি মানে release দেওয়া হয় না অনেক, অনেক কিছু problem-এর জন্য। Problem বলতে কিছুটা মানে হয়তো পুরোটা complete করতে পারেনি, censor-এ আটকে গেছে বা কিছুটা তারপরে distribution-এ যে মানে টাকা, সবচেয়ে বড় কথা প-মানে post-production-এ যে টাকা, সেই টাকাটা অনেকে manage করতে পারে না বা কিছু করতে পারে না। সেগুলো, তারপরে অনেক সময় partnership business-এ অনেক সময় মানে ভাগ হয়ে যায়। partner যাকে নিয়েছিল সে, মানে এগুলো অনেক problem-এর জন্য ছবি হয়তো release দিতে পারে না। সেগুলো তো কিছু করা যায় না। কিন্তু এই ছবিটা, এই ছবিটা মানে একদম challenge-এ আমরা release দিয়ে ফেলি।আমি মানে এইটিতে এসছি। এইটিতে এসে আমি প্রথমে মানে প্রডিউসার হিসেবেই এসেছিলাম। আমার তখন প্রোডাকশনের নাম ছিল কাজলি চিত্রম। তখন আমি একটা ফিচার ছবি করেছি সেটা আমি অবশ্য মানে পুরো complete করলাম। মানে আমার husband-এর direction-ই ছিল সেটা। পুরো complete করে সেটা dubbing টাব্বিং সব করেও মানে black and white ছিল যেহেতু হঠাৎ colour এসে গেছে। ওই সে problem যে problemটা আপনি একটু আগে আমরা বললাম। সেই ছবিটা কিন্তু আমি release দিতে পারিনি। মানে censor-টা করতে পারিনি। সব complete করে censor করতে পারিনি বলে ছবিটা আর colour এসে গেছে তাই আমি আর সেটার release দিতে পারিনি। তারপরে আমি মানে দিল্লি দূরদর্শনে অনেক ছবি করেছি আমার production-এ, আমার husband-এর direction-এ। কিশোর কবি সুকান্তকে নিয়ে আমি পাঁচ পর্ব করেছি। তারপরে ছুটি ছুটি program আগে যে হতো সেই সেগুলো করেছি আমার production-এ। সব কাজলি চিত্রমের production-ই হয়েছে। industry-তে আমার forty six year running. আমি আশির থেকে আছি।

ও আচ্ছা আচ্ছা।

এই

করতে করতে করতে করতে তারপরে মাঝখানে আমার husband expire হয়ে গেলেন ২০০৬ সালে। twenty years চলছে।

আচ্ছা আচ্ছা।

তখন আবার নতুন করে মানে আমি এক মানে assistant director হিসেবে আমি মানে প্রচুর কাজ করেছি। আমি তিনশো সাড়ে তিনশো ছবি মানে

খ্যাতনামা

director বা কম নাম director আমি অনেক director প্রভাত রায়, বাসু চ্যাটার্জী, অঞ্জন যদি এদের সঙ্গে আমি assist করেছি। assistant director হিসেবে আমার তো মানে প্রচুর ছবি করেছি। তারপরে কি হল? তারপরে আমার হঠাৎ খেয়াল হল যে ঠিক আছে একটা ছবি করি না নিজের প্রয়োজনে। তখন এটা তির্যাসা মুভি নামে শুরু করলাম ২০১২ তে। আমি একটা নিজের direction-এ একটা ছবি release দিয়েছি তির্যাসা ধারা করে।

অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী অভিনেতা মৌলি গাঙ্গুলি ছবিতে তার চরিত্র সম্পর্কে বলেন, "আমার roleটা হচ্ছে ডক্টর চ্যাটার্জী। আমি অন্ধ ছেলেটির চোখটা operation করে আলো দিচ্ছি।" তিনি আরও বলেন, "গল্পের মূল বিষয়বস্তু হল অন্ধকারের জগৎ থেকে আলোর পথে যাত্রা এবং একটি পরিবারের মধ্যকার আবেগপূর্ণ জটিলতা।"

এটা একটা বেশ interesting গল্প। আমার সিনেমা জগতে প্রবেশ বলতে পারো My Melburn দিয়ে এখানে একটা feature film ছিল। তারপরে আমরা অনেক ছোট ছবি যেগুলো সেগুলো করতে আরম্ভ করি। আমি দেখলাম আমার হাত-পাটা মুচকি। তো সবসময় আমি একটা issue based ছবি করতে চেয়েছিলাম। Mental health and wellbeing ধরো domestic violence তারপরে gap generation gap। তারপরে তোমার dementia।

এখানে যখন আমাদের এগুলো সবই South Asian community-র মধ্যে অস্ট্রেলিয়াতে। ধরো কারোর একটা যখন family-তে মহিলা চলে যাচ্ছেন তখন আমাদের পুরুষদের কিন্তু ভীষণ অবস্থা হয় একটা বয়সের পরে। কারণ network সব বউরাই রাখে। তো সেইসব নিয়ে ছবিগুলো। সেই জন্যেও বেশ নামডাম করেছে। অনেকগুলো award পাওয়া গেছে। প্রায় ত্রিশটা award পাওয়া গেছে। এর মধ্যে আমরা ওই যেটা কাজলী দেবী বললেন যে

দুর্গাপুর Film Festival এটাতে একটা কথা বলে রাখি দুর্গাপুর অনেক দিনের প্রায় এগারো বারো দিনের। এই মা দুর্গা যেটা বলল রুচিন মানে ভীষণ talented লোক আমাদের হচ্ছে দেবলীনা সেটা চালায়। তো সেইখানে প্রথমে আমরা যেমন হঠাৎ একদিন একটা message এল যে আমরা তিন তিনটে award পেয়েছি। একটা হচ্ছে best film-এর মধ্যে একটা। তারপরে হচ্ছে শ্রেষ্ঠ

female actress, female actor আরেকটা হচ্ছে background music। সেখানে আরেকটা ব্যাপার বলে রাখি এই ছবিতে কিন্তু বাংলাদেশ আর কলকাতা দুই যে পশ্চিমবঙ্গ দু'দলেরই লোক ছিল। তখন আমাকে সে দেবলীনা ওই বলল গল্পটা। এরকম একটা গল্প হচ্ছে রুচিন বিনাশ আইনপুরী নামে একজন আছেন। তুমি শিগগিরই তার সঙ্গে কথা বলবে। এইটা করলে আমাদের খুব ভালো হয়। একটা character আছে। তো রুচিন বিনাশ আইনপুরীর সঙ্গে কথা বললাম। তারপরে রুচিন বাবু যে গল্পটা বললেন অনেকটা কাজলীরই মতন। উনি আমি খুব মুগ্ধ হয়ে গেলাম। বললাম ঠিক আছে আমি আছি। তারপরে

সেইখান থেকে আমি গেলাম কলকাতায় গিয়ে সেপ্টেম্বর অক্টোবর মাসে ওই সময়ের সময় ছবিটা করলাম। আমার roleটা হচ্ছে ডক্টর চ্যাটার্জী। ওই যে অন্ধ ছেলেটি যার কথা বলছিল তার তাকে আমি আর আলো আর আঁধার যে কথাটা বলছিল রুচিন, তাকে আমি চোখটা operation করে আলো দিচ্ছি যাতে করে তারপরে তার জীবনে অনেক কিছু change হয়ে যাচ্ছে। আর আরেকটা ব্যাপার আছে আমি হচ্ছে এই যে তিনজন ভাইবোন তাদের বাবার খুব বন্ধু। সুতরাং এই যে মা দুর্গা ওরফে দেবলীনা ওরফে টুকি যে roleটা করছে তার সঙ্গে ডক্টর চ্যাটার্জীর একটা বিশেষ একপ্রস্থ স্নেহ আছে। কারণ ও দেখছি পুরো familyটাকে, পরিবারটাকে টেনে নিয়ে চলেছে এই একটি মেয়ে। নিজের উপর কোন কোন কিছু দেখছে না। এই যে তার মধ্যে যে মা দুর্গার যে শক্তিটা সেইটা বলতে পারো দেখে আমি মোহিত। কারণ সেই জিনিসটাকেই এই তিনজনের মধ্যে ফোটানোর চেষ্টা হয়েছে যে একদিকে আলো আর আরেকদিকে অন্ধকার। সেটাই আমার কাজটা ছিল।

ছবির কলাকুশলীরা আরও জানান The Blind Wish একটি শিক্ষণীয় ও মানবিক আবেদনের চলচ্চিত্র যা সমাজের ভিন্ন এক বাস্তবতাকে রুপালি পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছে।

আপনারা শুনলেন The Blind Wish ছবি নিয়ে সাক্ষাৎকারটির প্রথম পর্ব। সাথে ছিলাম আমি শাহান আলম।

[আবহ সঙ্গীত]

END OF TRANSCRIPT

Share

Recommended for you

Follow SBS Bangla

Download our apps

Watch on SBS

SBS Bangla News

Watch it onDemand

Watch now