অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশী রেস্টুরেন্ট শিল্প নিয়ে এসবিএস বাংলার এই বিশেষ ধারাবাহিক প্রতিবেদনে আমরা কথা বলব রেস্টুরেন্ট মালিক ও কর্মীদের সঙ্গে, পাশাপাশি খাদ্যের মান, গ্রাহকসেবা এবং সামগ্রিক খাবারের অভিজ্ঞতা নিয়ে গ্রাহকদের যেসব উদ্বেগ প্রায়ই উঠে আসে, সেগুলোও পর্যালোচনা করব। প্রথম পর্বে আমরা অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট শিল্পের একটি সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরব এবং এর চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা নিয়ে আলোচনা করব।
হাইলাইটস
- অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট শিল্পের শুরুর ইতিহাস এবং এর বিকাশ।
- প্রবাসীদের কাছে দেশি খাবারের চাহিদা এবং নতুন উদ্যোক্তাদের গল্প।
- গ্রাহকসেবা, দক্ষ জনবল ও ব্যবসা টিকিয়ে রাখার বাস্তব চ্যালেঞ্জ।
'৯৫-'৯৬ সালের দিকে প্রথম বাঙালি রেস্টুরেন্ট যারা শুধু বাংলা খাবার পরিবেশন করত, সেটি ছিল মাসকটে।সিদ্দিক চৌধুরী বাবলু
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলা ভাষাভাষী জনগোষ্ঠী দ্রুত বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১১ সালে যেখানে এ সংখ্যা ছিল প্রায় ৩৫ হাজার, ২০২১ সালে তা বেড়ে ৭০ হাজারেরও বেশি হয়েছে, যার অধিকাংশই বাংলাদেশে জন্মগ্রহণ করেছেন।
সিডনিতে আমিও ফেস করছি। আমি নিজেও এরকম দুই-তিন জায়গায় কাজ করে টাকা পাই নি। তো আবার দুই সপ্তাহ কাজ করলে এক সপ্তাহের টাকা দিত, আরেক সপ্তাহের টাকা আটকায় রাখত।নাফিজ ইমতিয়াজ
যদিও ২০২৬ সালের আদমশুমারি এই সম্প্রদায়ের সর্বশেষ চিত্র তুলে ধরবে, তবু বর্তমানে সিডনি ও মেলবোর্নসহ অস্ট্রেলিয়ার অধিকাংশ বড় শহরে বাংলাদেশি-অস্ট্রেলিয়ানদের পরিচালিত ভাষা বিদ্যালয়, খুচরা দোকান, সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কমিউনিটি সংগঠন, রেস্টুরেন্ট ও অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠান দেখা যায়।
আমার লক্ষ্য ছিল শুধু বাঙালিদের খাওয়ানো নয়, অন্যদেরও বাংলাদেশি খাবারের স্বাদ পরিচয় করিয়ে দেওয়া।কাজী সানজিদা ফারহানা
অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশি কমিউনিটি বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে দেশি খাবারের চাহিদাও। নব্বইয়ের দশকে সিডনিতে কয়েকটি ছোট উদ্যোগের মাধ্যমে যে যাত্রা শুরু হয়েছিল, আজ তা পৌঁছে গেছে সিডনি, মেলবোর্ন, ডাবো, মাউন্ট ড্রুইট ও হোবার্ট পর্যন্ত।
বাংলাদেশি খাবারের চাহিদা আছে। কিন্তু প্রতিদিন তাজা রান্না করা এবং মান ধরে রাখা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।তারিকুল ইসলাম
এই পর্বে আমরা শুনব অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট শিল্পের শুরুর ইতিহাস, কেন প্রবাসীরা দেশি খাবার খোঁজেন এবং কীভাবে অনেক উদ্যোক্তা ঘরের রান্না বা ক্যাটারিং থেকে রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় এসেছেন।
ছোট কমিউনিটির ওপর নির্ভর করে অনেক সময় একটি বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট টিকিয়ে রাখা কঠিন হয়ে পড়ে।নাফিজ ইমতিয়াজ
পাশাপাশি উঠে আসবে রিজিওনাল শহরগুলোতে বাংলাদেশি খাবারের চাহিদা, ছোট কমিউনিটির বাজারে টিকে থাকার চ্যালেঞ্জ, দক্ষ কর্মী ও শেফের সংকট, এবং খাবারের মান ও গ্রাহকসেবা নিয়ে দীর্ঘদিনের অভিযোগও।
যদি কর্মীদের পরিবারের সদস্যদের মতো দেখা হয়, তাহলে অনেক সমস্যাই এড়ানো সম্ভব।কাজী সানজিদা ফারহানা
রেস্টুরেন্ট মালিক, উদ্যোক্তা, কর্মী এবং কমিউনিটি প্রতিনিধিদের অভিজ্ঞতার আলোকে এই পর্বে তুলে ধরা হয়েছে অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশি রেস্টুরেন্ট শিল্পের বর্তমান বাস্তবতা, সম্ভাবনা এবং সীমাবদ্ধতার একটি সামগ্রিক চিত্র।
অস্ট্রেলিয়ার বাংলাদেশি রেস্টুরেন্টগুলোকে আরও আন্তর্জাতিক মানের এবং পেশাদার হতে হবে।ডা. চৌধুরী সাইফুল আলম বেগ
আপনার মতামত জানাতে পারেন আমাদের ফেসবুক পেজে কিংবা ইমেইল করতে পারেন: bangla.program@sbs.com.au
সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও-প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।
আপনি কি জানেন, এসবিএস বাংলা অনুষ্ঠান এখন ইউটিউব এবং এসবিএস অন ডিমান্ডে পাওয়া যাচ্ছে?
এসবিএস বাংলা এখন অস্ট্রেলিয়ায় বসবাসরত দক্ষিণ এশীয় সকল জনগোষ্ঠীর জন্য এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেলের অংশ।
এসবিএস বাংলা লাইভ শুনুন প্রতি সোম ও বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টায় এসবিএস সাউথ এশিয়ান-এ, ডিজিটাল রেডিওতে, কিংবা, আপনার টেলিভিশনের ৩০৫ নম্বর চ্যানেলে। এছাড়া, এসবিএস অডিও অ্যাপ-এ কিংবা আমাদের ওয়েবসাইটে। ভিজিট করুন www.sbs.com.au/bangla.
আর, এসবিএস বাংলার পডকাস্ট এবং ভিডিওগুলো ইউটিউবেও পাবেন। ইউটিউবে সাবসক্রাইব করুন এসবিএস সাউথ এশিয়ান চ্যানেল। উপভোগ করুন দক্ষিণ এশীয় ১০টি ভাষায় নানা অনুষ্ঠান। আরও রয়েছে ইংরেজি ভাষায় এসবিএস স্পাইস।
Read more about SBS’s use of AI





