গত বছরে অনুষ্ঠিত বিদেশের বিভিন্ন নির্বাচন বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে তরুণ পুরুষ ও নারীদের মধ্যে রাজনৈতিক বিভাজন ক্রমশ বাড়ছে। অস্ট্রেলিয়ার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে চলেছে আর কিছুদিন পরেই। চলুন জানা যাক, এই দেশের নারী ও পুরুষদের মধ্যে সমর্থনের অনুপাত কীরকম।
যুক্তরাষ্ট্রে ১৮ থেকে ২৯ বছর বয়সী পুরুষরা ট্রাম্পের পক্ষে ভোট দিয়েছেন। পুরুষদের ৫৬ শতাংশ ভোটার তাকে ভোট দিয়েছেন, যেখানে নারীদের ক্ষেত্রে এই সংখ্যা ৪০ শতাংশ।
অন্যান্য অনেক দেশের পুরুষরাও রাজনীতির ক্ষেত্রে রক্ষণশীল ডানপন্থার দিকে ঝুঁকে পড়ছে।
ইন্তিফার চৌধুরী একজন যুব গবেষক এবং ফ্লিন্ডার্স ইউনিভার্সিটির লেকচারার ইন গভর্নমেন্ট। তিনি সম্প্রতি অস্ট্রেলিয়ার ৩৫ বছরের নির্বাচনের তথ্য বিশ্লেষণ করে বিভিন্ন প্রজন্ম কীভাবে রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে সমর্থন বদলে থাকে তা পরীক্ষা করে দেখেছেন।
ড. চৌধুরী বলছেন, তরুণ প্রজন্মের ক্ষেত্রে প্রাপ্তবয়স্কতার মাত্রা অর্জনে এখন আগের চেয়ে বেশি সময় লাগছে। তিনি বলেন যে, রাজনীতির ক্ষেত্রে নারীদের মধ্যে বামপন্থীদের সংখ্যা বেশি, আর পুরুষদের মধ্যে ডানপন্থী হওয়ার সম্ভাবনা বেশি দেখা যায়।
১৫ বছর আগে ব্রাজিল থেকে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান আন্দ্রেজা আয়ারল্যান্ড। তিনি নিজেকে বামপন্থী এবং সমাজতান্ত্রিক হিসাবে বর্ণনা করে থাকেন।
কমবয়সী নারীরা যেখানে বামপন্থার দিকে ঝুঁকে যাচ্ছে, পুরুষরা সেখানে ঝুঁকছে ডানপন্থার দিকে।
ড. চৌধুরী বলেন যে, রাজনৈতিক বিশ্বাসে এই লিঙ্গ বৈষম্যের কারণ কী তা খুঁজে বের করতে চেয়েছেন তিনি।
ক্যালভিন বিয়াগের বয়স এখন ২২, তিনি ওয়েস্টার্ন সিডনিতে বড় হয়েছেন এবং এখনও সেখানেই বসবাস ও কাজ করছেন। ক্যালভিন নিজেকে সেন্টার রাইট হিসেবে বর্ণনা করে থাকেন। তিনি চরম ডানপন্থীদের সঙ্গে একাত্মতা বোধ করেন না।
জর্ডান ম্যাকসুইনি ক্যানবেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর ডেলিবারেটিভ ডেমোক্রেসি অ্যান্ড গ্লোবাল গভর্নেন্সের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো।
তিনি বলেন, বিশ্বব্যাপী পুরুষদের ডানপন্থার দিকে ঝুঁকে যাওয়া নতুন কোনো ঘটনা নয়। তবে অন্যান্য অনেক দেশের তুলনায় অস্ট্রেলিয়ায় চরম ডানপন্থী মতাদর্শের প্রতি সমর্থনের মাত্রা ও প্রকার ভিন্ন।
তিনি দেখেছেন যে অস্ট্রেলিয়ার চরম ডানপন্থী দলগুলি ততটা সুসংগঠিত নয় - এবং এমনকি তাদের প্রার্থীরাও দলগুলো যেভাবে চলছে তাতে খুশি নয়।
সম্পূর্ণ প্রতিবেদনটি শুনতে উপরের অডিও-প্লেয়ারটিতে ক্লিক করুন।





