সিকদার তাহের আহমদ: বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে গত ১২ই ফেব্রুয়ারি ২০২৬, বৃহস্পতিবার। এতে বিজয়ী হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি। এই নির্বাচন নিয়ে এখন আমরা কথা বলছি ব্রিসবেনের গ্রিফিথ ইউনিভার্সিটির স্কুল অফ গভর্নমেন্ট এন্ড ইন্টারন্যাশনাল রিলেশন্স এর রিসার্চ ফেলো এবং অস্ট্রেলিয়ান ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির স্কুল অফ রেগুলেশন এন্ড গ্লোবাল গভর্নেন্স এর ভিজিটিং ফেলো ড. অনুরাগ চাকমার সঙ্গে। [মিউজিক]
সিকদার তাহের আহমদ: ড. অনুরাগ চাকমা, এসবিএস বাংলায় আপনাকে স্বাগত।
ড. অনুরাগ চাকমা: ধন্যবাদ আপনাকে।
সিকদার তাহের আহমদ: বাংলাদেশে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির কি কোনো উত্থান ঘটেছে?
ড. অনুরাগ চাকমা: হ্যা, আমরা রিসেন্টলি দেখেছি। মানে, এটার অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে সিকদার ভাই। মানে, আমরা হচ্ছে যখন কোন একটা আলোচনায় যাই, বেসিক্যালি আমরা যেটা দেখি সেটা হচ্ছে তৎ মুহূর্তে যে পরিস্থিতিটা। কিন্তু এটার পিছনে একটা লং হিস্ট্রি আছে আরকি। যেমন, বাংলা আমাদের উপমহাদেশে, বাংলাদেশ যেহেতু উপমহাদেশ একটা আপনার অংশ ছিল, সো আপনাকে ওইভাবেই আমাদের মানে দেখতে হবে আরকি। যে রিলিজিয়নটা কিন্তু আপনার সাতচল্লিশে আমরা দেখেছি, সাতচল্লিশে বেসিক্যালি রিলিজিয়ন বেসিসেই তো দুটি ন্যাশন স্টেট পেয়েছে, পাকিস্তান এবং ইন্ডিয়া। তার মানে হচ্ছে, রিলিজিয়নের ব্যবহার কিন্তু রাজনীতিতে অনেক আগে। তবে, যেটা আমরা একাত্তরের পরে যেটা দেখলাম যে, বাংলাদেশ শেখ মুজিবুর রহমান উনি বললেন যে, এটা একটা সেক্যুলার স্টেট হবে এবং আমাদের যে বাহাত্তরের যে সংবিধান, সেক্যুলারিজম একটা ফান্ডামেন্টাল পিলার ছিল আরকি। পরবর্তীতে আমরা সবাই জানি কেন যে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির উত্থান হলো এবং এটা আমি জাস্ট ফ্যাক্টগুলো বলে যাচ্ছি। ডেফিনেটলি মানে মূল্যায়নটা জনগণের। একটা ফ্যাক্ট হচ্ছে যে, বিশেষ করে বিএনপির আমলে জামাত অর্থাৎ এই যে মানে ইউজ অফ রিলিজিয়ন, যেটা সেটাকে উন্মুক্ত করে দেয়া হয় আরকি রাজনীতিতে। গোলাম আজম সাহেব, উনি হচ্ছে উনআশি উনিশশো উনআশি সালে উনি হচ্ছে লন্ডনে উনি নির্বাচনে ছিলেন। তো সেখান থেকে উনি বাংলাদেশের রাজনীতিতে পদার্পণ করেন। তো এটা একটা, এটা একটা মানে বড় ধরনের ডাইমেনশন। পরবর্তীতে মানে প্রত্যেকটা দলই কিন্তু কম্প্রোমাইজ করেছে এবং এটার পিছনে অনেকগুলো কারণ থাকতে পারে। এবং একটা কারণ হতে পারে যে, আপনার সোসিও ইকোনমিক কন্ডিশন। আরেকটা হতে পারে, আমি বিএনপি, বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম সাহেবের একটা ইয়া দেখলাম পত্রিকায়। তো উনি বললেন যে, বিগত সরকারের নিপীড়নের কারণে, নির্যাতনের কারণে আপনার জামাত তারপরে এই সমস্ত বিষয়গুলো উত্থান হয়েছে। তো এটা কিন্তু আপনি মানে, এ নিয়ে প্রচুর স্টাডি আছে। যেমন, আপনার আমেরিকার খুবই বিখ্যাত স্কলার, যিনি পলিটিক্যাল ভায়োলেন্স টেরোরিজম নিয়ে স্টাডি করেন, ক্রিস্টিয়ান ডেভেনফোর্ট। তো উনারাই কিন্তু এগুলো নিয়ে স্টে ডিপ্রেশন বাড়লে কিভাবে সন্ত্রাসবাদ, উগ্রবাদ এগুলো বাড়তে থাকে, এটার কোরিলেশন দেখিয়েছেন। অনেকে কজেশন দেখিয়েছেন আরকি, কিভাবে কানেক্টেড? কারণ, আপনার যখন ডেমোক্রেটিকলি পিসফুল ওয়েতে আপনার পলিটিক্যাল যে রাইটসগুলো আপনি যখন ভোগ করতে পারবেন না, তখন কিন্তু আপনাকে ভায়োলেন্ট মিনস এপ্লাই করতে হচ্ছে, সহিংস পথে যেতে হচ্ছে। এটা একটা আরেকটা বিষয় হতে পারে যে, গ্লোবাল একটা ব্যাপার থাকতে পারে। কারণ এখন তো গ্লোবালাইজেশনের যুগ, প্লাস হচ্ছে মিডিয়া। তো রেডিকালাইজেশনটা কিন্তু আপনার বিভিন্ন জায়গা থেকে হতে পারে, এখন সোশ্যাল মিডিয়া থেকে হতে পারে। আমি এই কারণে বলি কি, এখন চাইলে কিন্তু যেকোনো সরকারের পক্ষে খুবই কঠিন কাজ হচ্ছে আপনার রেডিকালাইজেশন স্টপ করা। কারণ, মানে একজন বাচ্চা, একজন মানে তরুণ, একজন কিশোর, সে কিন্তু সোশ্যাল মিডিয়াতে দেখে রেডিকালাইজ হয়ে যাচ্ছে। তো এখন আপনি খালি স্কুল মনিটরিং করলে, আপনি নতুন নতুন আইন প্রডিউস করলে, জেনারেট করলে, আপনি সিকিউরিটি ফোর্স বাড়ালে যে রেডিকালাইজেশন বন্ধ হবে, ওই কনসেপ্ট থেকে রাষ্ট্রকে বের হয়ে আসতে হবে। কারণ, এগুলো হচ্ছে নন ট্রেডিশনাল চ্যালেঞ্জ। আমার, আমার মনে হয় অনেকগুলো বিষয় আছে আরকি। এ নিয়ে অনেকের গবেষণাও আছে যে, কেন এই উত্থান হচ্ছে আরকি।
সিকদার তাহের আহমদ: তো, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ক্ষেত্রে কি মানে এই বিষয়টির কোনো প্রভাব পড়বে?
ড. অনুরাগ চাকমা: আমি, আমার কাছে মনে হয় এটার আমাদেরকে কিছুদিন ওয়েট করতে হবে। মানে, এটার প্রভাবটা কেমন হতে পারে আরকি। তবে আমি মনে করি যে, বাংলাদেশে কিন্তু যারা মাইনোরিটি তাদেরকে কিন্তু মানে বাই ডিফল্ট আওয়ামী লীগের সমর্থক হিসেবে ধরা হয়। তো অনেক সময় মানে এটা আপনি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে মানে এটা হয়তো মানে যে কেউ খেয়াল করতে পারে। আমার মনে হয়, বিএনপি এই বাইনারি পলিটিক্স থেকে বের হয়ে আসতে হবে এবং বিএনপিকে মানে এমন পলিসি নিতে হবে যেমন এই যে আপনি একটা জিনিস দেখেন, চারজন মাইনোরিটি থেকে এবার নির্বাচিত হয়েছে বিএনপির নমিনেশন নিয়ে। [হাসি] আমাদের তিন পার্বত্য জেলার দুই দুই জেলা থেকে হয়েছে। বান্দরবানের আপনার বোমাং রাজাক ছেলে সাসিং প্রু চেরি, তারপরে আপনার রাঙ্গামাটির থেকে হচ্ছে, উনার বাবা ডেফিনেটলি মানে জিয়াউর রহমানের ইয়া ছিলেন আরকি উপদেষ্টা সুবিমল দেওয়ান। উনার ছেলে দ্বীপেন দেওয়ান, যিনি নমিনেশন পেয়ে নির্বাচিত হলেন। আরেকটা বিষয় হচ্ছে যে, খাগড়াছড়ি থেকে কিন্তু মানে ওয়াদুদ ভূঁইয়া এমপি নির্বাচিত হয়েছেন। তবে এই এটা হচ্ছে আমার অবজারভেশন। কারণ, প্রত্যেকটা দলকে মানে ইনক্লুসিভ অ্যাপ্রোচ হাতে নিলে আমার মনে হয় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যে সেটাকে যে আপনি প্রতিষ্ঠিত করবেন, সেটাকে যে মজবুত করবেন সেটা সবচাইতে ভালো হয়। কারণ, আপনার খাগড়াছড়ি থেকেও কিন্তু মাইনোরিটি থেকে দেয়া যেত। কারণ মাইনোরিটির ভোট কিন্তু বিশাল, ইয়া আরকি। তো এটা দিলে হয় কি? মানে অনেক সময় হয় কি, যারা মাইনোরিটি তারা হয়তো বা দলকে ওন করতে পারবে।... সরকারকে ওন করতে পারবে, যে তারা তো আমাদের, এটা হচ্ছে একটা পলিটিক্যাল প্রসেস। যাতে কোন জনগোষ্ঠী মার্জিনালাইজেশন জিনিসটা ফিল না করে এবং সরকারকে ওই দিকটা দেখতে হবে। আবার, আপনি দেখেছেন দুই বিআই, [হাসি] নিতাই রায় চৌধুরী এবং যে আপনার গোয়েশ চন্দ্র রায়, উনি উনারা দুইজন নির্বাচিত হয়েছেন। এখন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যে বিষয়টা, এটা হচ্ছে ডেফিনিটলি পলিটিক্যাল একটা প্রসেস। সেই সাথে এটা একটা কালচারাল বিষয়। কারণ, আমরা তো কালচারের অনেক গ্রুপ গ্রুপ ডাইভার্স গ্রুপ কো-এক্সিস্টেন্স করতে হয় আমাদেরকে। আমাদেরকে সেম বাওন্দারি, সেম টেরিটরি শেয়ার করতে হয়। তো যার ফলে এখানে অনেক সময় হয় কি, এই বিষয়গুলোকে পলিটিসাইজ করা হয়। কারণ আইডেন্টিটি একটা হচ্ছে, আমরা যারা আইডেন্টিটি নিয়ে মানে কাজ করি, আইডেন্টিটি কিন্তু একটা অনেকেই বলে পলিটিক্যাল কনস্ট্রাকশন। কারণ মানে এটা, এটা এমনভাবে কনস্ট্রাকশন, এটা একটা ইন্সট্রুমেন্ট হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কোন একটা বিপরীত জনগোষ্ঠীকে হামলা করার জন্য বা তাকে নিপীড়ন করা নিপীড়ন চালানোর জন্য অনেক সময় আইডেন্টিটিটাকে ইউজ করে পলিটিক্যালি মোটিভেট করা হয় একটা জনগোষ্ঠীকে। তো তার মানে হচ্ছে, পুরো জিনিসটা হচ্ছে একটা পলিটিক্যাল। যেহেতু পলিটিক্যাল বিষয়, তার মানে হচ্ছে পলিটিক্যাল যারা অ্যাক্টর, পলিটিক্যাল পার্টি, বিশেষ করে যে দল ক্ষমতায় যাচ্ছে বা যাবে বা সামনের দিনগুলোতে আসবে, তাদেরকে এই দায়িত্বটা আরও বেশি নিতে হবে। তো আমি আমার মনে হয়, মানে তারেক রহমান সাহেব, উনি যেহেতু লন্ডনে অনেক বছর ছিলেন, লন্ডন তো একটা ডাইভার্স কমিউনিটি, লাইক আমাদের অস্ট্রেলিয়া, মাল্টি কালচারাল অস্ট্রেলিয়া। তো আমার মনে হয় উনার একটা [হাসি] ভালো এক্সপেরিয়েন্স হয়েছে সেখানে। তো এই লেসনগুলো যদি উনি-
সিকদার তাহের আহমদ: আপনি আশাবাদী?
ড. অনুরাগ চাকমা: হ্যা, আমি আশাবাদী। লন্ডনের ওই জিনিসগুলো যদি উনি এপ্লাই করতে পারেন, বাংলাদেশ মানে খুব সুন্দর একটা দেশ হতে পারে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটা উদাহরণ হতে পারে।
সিকদার তাহের আহমদ: তো সেই সূত্রেই জানতে চাচ্ছি, সবকিছু মিলিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রের ক্ষেত্রে কিরকম সম্ভাবনা আপনি দেখেন? আর কিরকম চ্যালেঞ্জই বা আছে এর জন্য?
ড. অনুরাগ চাকমা: সম্ভাবনা হচ্ছে, আমরা আপাতত একটা ক্রাইসিস থেকে মুক্তি পেলাম। কারণ আমরা তো দেখেছি যে, শেখ হাসিনার পতনের পরে যে দেশে একটা মবতন্ত্র ছিল, নো রুল অফ অর্ডার, ল এন্ড অর্ডার। তো এখান থেকে আপাতত আমরা একটা বড় ধরনের নিঃশ্বাস ছাড়তে পারলাম যে, দেশটি অ্যাটলিস্ট একটা নির্বাচিত সরকার ক্ষমতার দায়িত্ব নিচ্ছে। এবং আরেকটা হতে পারে যে, আপনার পরবর্তীতে যেটা ডেমোক্রেসি, সাসটেইনেবল একটি ডেমোক্রেসি, যেটা খুবই ইম্পর্টেন্ট। আমি সম্ভাবনা দেখলাম যে, বাংলাদেশ অ্যাটলিস্ট ওই যে ক্রাইসিস থেকে বের হয়ে আসলো। কিন্তু চ্যালেঞ্জ হচ্ছে, এই ইলেকশনে কিন্তু বাংলাদেশের বৃহত্তম অন্যতম একটা বৃহত্তম দল আওয়ামী লীগ কিন্তু তাকে ব্যান করে দেয়া হয়েছে। তো আমরা সতেরো বছর আগে জাস্ট যদি ব্যাক করি, আমরা সেখানেও দেখেছি যে, একদম নিকট অতীতে যে একটা বৃহত্তম দলকে আপনি বাইরে রেখে ইলেকশন করলে সে ইলেকশন সাসটেইনেবল হয় না। বিএনপিকে বাইরে রেখে আওয়ামী লীগ ইলেকশন করেছে এবং যার ফলাফল চব্বিশ। এবং বিএনপির উচিত হবে যেভাবে হোক, মানে আওয়ামী লীগের মতো একটা বৃহত্তম দলকে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় নিয়ে আসতে হবে। এখন হয়তো কোশ্চেন আসতে পারে যে, আপনার মানে যে এক্সিস্টিং যে বিচারগুলো চলমান আছে, তো এটা কিভাবে চলতে থাকবে? এই প্রশ্নগুলো ডেফিনিটলি বিতর্কগুলো থাকবে, প্লাস সাথে সাথে আমাদেরকে মানে গণতন্ত্র মানে যেহেতু আপনার সবাইকে নিয়ে তো গণতন্ত্র হবে। দেশে একটা বিশাল জনগোষ্ঠী যারা আওয়ামী লীগের সাপোর্টার, তাদেরকে বাইরে রেখে তো ডেমোক্রেসি আমরা কল্পনা করতে পারি না। আরেকটা দিক যেটি হচ্ছে যে, আমি বলব মানে ডক্টর ইউনূস, উনি একটা জায়গায় ফেইল করেছেন, ব্যর্থ হয়েছেন। সেটা হচ্ছে বাংলাদেশ, বাংলাদেশে একটা অনেকদিন ধরে মানে ফ্রিজোনর ডিলেমা গেম চলছিল আরকি। গেমটা ফ্রিজোনর ডিলেমা গেমটা হচ্ছে, এখানে সবসময় হচ্ছে প্রতিপক্ষকে, প্রতিপক্ষকে গায়েল করে তাকে মানে ক্ষমতার যে রাজনীতি, সে চর্চা থেকে হচ্ছে বহি মানে বাইরে রেখে দেয়া হয়েছে। তো এটা একটা নন কো-অপারেটিভ গেম ছিল আমাদের। তো অনেক সময় মানে এই চব্বিশের পরে সবাইকে নিয়ে দেশটা যদি আপনার চলতে পারত, আমরা যদি কো-অপারেটিভ গেম, যেমন আমাদের বিতর্ক থাকবে, আমাদের মনোমালিন্য থাকবে, আমাদের মতবিরোধ থাকবে, আমাদের আদর্শগত অমিল থাকবে। তারপরেও মানে এত কিছুর পরেও আমাদেরকে কিন্তু কো-অপারেটিভ গেম স্ট্রাকচারে আসতে হবে এবং সেটাই হচ্ছে এখন বিএনপির বড় ধরনের দায়িত্ব। আমি মনে করি, যদি এই দায়িত্বটা বিএনপি নিতে পারে, তার মানে হচ্ছে বাংলাদেশের ডেমোক্রেসি সাসটেইনেবল হতে পারে। আবার যদি বিএনপি যদি পুরনো ইতিহাসের দিকে আপনি মানে, মানে সেদিকে যদি হাঁটতে শুরু করে, তার মানে হচ্ছে বাংলাদেশের চব্বিশের যে স্পিরিট এবং তার বিপরীতে যে ইলেকশন এখন মানে আমরা যে মানে নতুন একটা বাংলাদেশ, চব্বিশ পরবর্তী এই বাংলাদেশ মানে ফিউচার থাকবে না। কারণ, আমরা এর আগে যেভাবে দেখেছি, যেমন বিশেষ করে এখন ব্যাপারটা হচ্ছে যে, তারেক রহমান সাহেব উনাকে অনেক বিষয় ট্যাকেল দিতে হবে। যদি একটা হচ্ছে, করাপশনকে ট্যাকেল দিতে হবে। সবচাইতে এই মুহূর্তে যেটা দরকার, মানুষের নিরাপত্তা। রুল অফ ল নাই দেশে, তো আপনার সিকিউরিটি ফোর্স, ল এনফোর্সমেন্ট এজেন্সি, পুলিশ এখনও ডিজঅরগানাইজড। তো অনেকগুলো বিষয়ে উনাকে হাত দিতে হবে এবং এগুলোকে সাকসেসফুল করতে গেলে আপনার দলমত নির্বিশেষে, যেহেতু ডেমোক্রেসি হচ্ছে সবাইকে ইনক্লুড করে যে প্রক্রিয়া, তো ওইভাবে একটা ইনক্লুসিভ প্রসেস নিয়ে আসতে হবে আরকি।
সিকদার তাহের আহমদ: ড. অনুরাগ চাকমা, এসবিএস বাংলাকে সময় দেওয়ার জন্য আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ।
ড. অনুরাগ চাকমা: ধন্যবাদ সিকদার ভাই।
END OF TRANSCRIPT