অস্ট্রেলিয়া এক মিলিয়নেরও বেশি শরণার্থীকে স্বাগত জানিয়েছে। কিন্তু অর্থনীতি, সরকারি নীতি এবং পুনর্বাসন প্রক্রিয়ার পরিবর্তনের কারণে আজকের দিনে নতুনভাবে বসতি গড়া শরণার্থীদের জন্য বিষয়টি আরও কঠিন হয়ে উঠেছে।
বেরহান আহমেদের হলেন কমিউনিটি সংগঠন আফ্রিকজের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এবং শরণার্থী উদ্যোগ ‘আফ্রিকান থিংক ট্যাঙ্ক ইনকরপোরেশন’-এর চেয়ারম্যান।
সুদান থেকে আসা বেরহান ১৪ বছর বয়সে শরণার্থী হন। পরে তিনি মিশরে বৃত্তি নিয়ে পড়াশোনা সম্পন্ন করেন এবং এরপর কানাডা, আমেরিকা অথবা অস্ট্রেলিয়ায় পুনর্বাসনের সুযোগ পান।
তিনি আশির দশকে মেলবোর্নে আসেন। এসবিএস এক্সামিনসকে তিনি বলেন,
ইংরেজিতে দুর্বল হওয়া সত্ত্বেও তিনি কাজ খুঁজে পেয়েছিলেন।
সে সময় অনেক অভিবাসীর মতো তিনিও একটি কারখানায় কাজ শুরু করেন। চাকরি পেতে ইংরেজি জানা জরুরি ছিল না।
তিনি আরও বলেন, তখন অস্ট্রেলিয়া ছিল উৎপাদনভিত্তিক অর্থনীতি। যে কেউ কারখানায় গিয়ে কাজ করে টাকা উপার্জন করতে পারত। তাদের দরকার ছিল আমাদের শ্রমশক্তি, মেধা নয়।
তাঁর মতে, এখনকার শরণার্থীদের এমন এক ব্যবস্থার মধ্যে ফেলে দেওয়া হচ্ছে, যেখানে ব্যর্থ হওয়ার ঝুঁকি বেশি— বিশেষ করে যাদের আনুষ্ঠানিক শিক্ষা নেই বা সাবলীল ইংরেজি বলতে পারেন না।
বেরহান আহমেদ এসবিএস এক্সামিনসকে জানান,
বর্তমান সময়ে অস্ট্রেলিয়ায় পুনর্বাসনের ক্ষেত্রে মানবিক সংযোগের ঘাটতি রয়েছে।
বিশেষ করে সেবা প্রদানকারী সংস্থাগুলোর প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবস্থার কারণে। ফোন করলেই শুনতে হয়— সেন্টারলিংকের জন্য এক চাপুন, দুই চাপুন, তিন চাপুন... আগে কিন্তু এমন ছিল না, মানুষ এসে সাহায্য করত। আমার সময়ে কিছুটা সেরকমই ছিল। কিন্তু এখন বদলে গেছে।
এই পর্বে আমরা জানার চেষ্টা করেছি, শরণার্থীদের অভিজ্ঞতা সময়ের সাথে কতটা বদলে গেছে।
আমাদের অন্যান্য পর্ব শুনতে ভিজিট করুন sbs.com.au/sbsexamines





