গুরুত্বপূর্ণ দিক
- অস্ট্রেলিয়ায় ভোটদান বাধ্যতামূলক, তবে ভোট দেওয়ার জন্য আপনাকে তালিকাভুক্ত ভোটার হতে হবে।
- ভোট দেওয়ার জন্য আপনাকে অবশ্যই অস্ট্রেলিয়ার নাগরিক এবং আপনার বয়স কমপক্ষে ১৮ বছর হতে হবে।
- আপনি অনলাইনে বা কাগজের ফর্ম ব্যবহার করে এনরোল করতে পারেন।
- এইসি ওয়েবসাইটটি সহজে পঠনযোগ্য ইংরেজি গাইড ছাড়াও অন্য অনেক ভাষায় তথ্য সরবরাহ করে থাকে।
ফেডারেল নির্বাচনে অংশ নিয়ে ভোট দেয়ার মাধ্যমে প্রতিটি নাগরিকের জন্যে অস্ট্রেলিয়ার সরকার নির্বাচন করায় অবদান রাখার একটি সুযোগ। এই নির্বাচন প্রতি তিন বছর অন্তর একবার অনুষ্ঠিত হয়।
ইভান একিন-স্মিথ অস্ট্রেলিয়ান ইলেকটোরাল কমিশন বা এইসির একজন মুখপাত্র।
তিনি বলেন,
ভোট দেওয়ার আগে ভোটারদের কিছু শর্ত পূরণ করতে হবে।
ভোট দেয়ার অধিকার বিশেষ কোনো সুবিধা নয়। অস্ট্রেলিয়ায় যোগ্য প্রত্যেক ব্যক্তির জন্যে আইনত ভোট দেওয়া বাধ্যতামূলক।

এইসির ডেপুটি ইলেক্টোরাল কমিশনার ক্যাথ গ্লিসন বলেন, এদের মধ্যে ১৮ বছরের বেশি বয়সী নতুন অস্ট্রেলিয়ান নাগরিকরাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ভোটার তালিকায় আপনার নাম অন্তর্ভুক্ত করা রয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করার জন্য নির্বাচনের তারিখ ঘোষণার পরে সাধারণত এক সপ্তাহ সময় থাকে। আপনি ইতিমধ্যে রোলে আছেন কিনা তা নিশ্চিত হতে আপনি aec.gov.au/check এ বা 13 23 26 নম্বরে ফোন করে জানতে পারেন।
মিজ গ্লিসন বলেন,
নাম তালিকাভুক্ত করা সহজ, এবং এটি করার কয়েকটি উপায় রয়েছে।
যে কোনও এইসি অফিস থেকে কাগজের এনরোলমেন্ট ফর্ম পাওয়া যায়। আপনি প্রয়োজনে 13 23 26 নম্বরে কল করেও ফর্মের জন্যে অনুরোধ করতে পারেন।
এনরোলমেন্ট ফর্মটির জন্য আপনাকে কিছু সনাক্তকরণ কাগজপত্র দেখাতে হতে পারে। অনলাইনে আবেদন করার আগে এগুলি প্রস্তুত রয়েছে তা নিশ্চিত করুন। তথ্য সংযুক্ত বা অ্যাটাচ করার দরকার নেই, তবে আপনাকে এটি ফর্মে উল্লেখ করতে হবে।

নতুন নাগরিকদের এনরোল করার জন্য তাদের নাগরিকত্ব সনদপত্রের প্রয়োজন হবে।
আপনার যদি কোনও ধরণের আইডেন্টিফিকেশন না থাকে, বা থাকলেও যদি এটি হারিয়ে ফেলে থাকেন, তাহলে এটির জন্য আগে থেকেই আবেদন করা গুরুত্বপূর্ণ। আইডির কাগজপত্র পেতে সময় লাগতে পারে, তা একেক জায়গায় একেক রকম। অনেক ক্ষেত্রে আবেদনের পর চার সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লেগে যেতে পারে।
একবার আপনার নাম ভোটার তালিকায় যুক্ত হয়ে গেলে আপনি ভবিষ্যতে যে কোনও ফেডারেল, স্টেট বা স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ভোট দিতে পারবেন।
এজন্য আপনার বিবরণ হালনাগাদ রাখা অত্যাবশ্যক।

মি. একিন-স্মিথ বলেন, এইসি আসলে আপনাকে এটি করতে সহায়তা করে থাকে।
প্রত্যেক নতুন অস্ট্রেলিয়ান ভোট দেওয়ার যোগ্য হওয়ার সাথে সাথে তালিকাভুক্ত হওয়ার ব্যাপারে আত্মবিশ্বাসী বোধ করা উচিত। মনে রাখবেন, আপনি যেই হোন না কেন আপনার ভোট গণনা করা হবে।
এইসির ওয়েবসাইটে আপনার ভাষায় অনুবাদিত ভোটের যোগ্যতা এবং তালিকাভুক্তির নির্দেশিকা অন্তর্ভুক্ত করা রয়েছে। তারা সেই সাথে একটি টেলিফোন ইন্টারপ্রেটার সার্ভিস এবং 'সহজে পড়া যায় এমন নির্দেশিকা' সরবরাহ করে যা সহজ ইংরেজি এবং চিত্র ব্যবহার করে লেখা হয়।
মাইগ্রেন্ট রিসোর্স সেন্টারস এবং অন্যান্য স্থানীয় বহুসাংস্কৃতিক সহায়তা পরিষেবাগুলি প্রথমবার ভোটার হয়েছেন যারা তাদের সহায়তা করার জন্য এবং আপনার নাম তালিকাভুক্ত করতে আপনাকে সহায়তা করে থাকে।
অস্ট্রেলিয়ায় ভোটদান বাধ্যতামূলক, এবং ভোট দিতে ব্যর্থ হলে জরিমানা হতে পারে।
তবে মি. একিন-স্মিথ বলেন, ভোটার তালিকায় আপনার নাম ওঠাতে ব্যর্থ হলে আপনি ভোট দিতে পারবেন না। তাতে করে আপনি আপনার নাগরিক অধিকার চর্চা থেকেও বঞ্চিত হবেন।
২০২৫ সালের ফেডারেল নির্বাচনে সময়মতো ভোট দেওয়ার জন্য ভোটার তালিকায় নাম যুক্ত করতে aec.gov.au বা আপনার নিকটবর্তী কোনও এইসি অফিসে যেতে পারেন।
অস্ট্রেলিয়ায় আপনার নতুন জীবনে স্থায়ী হওয়ার বিষয়ে আরও মূল্যবান তথ্য এবং টিপসের জন্য ‘অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কে জানুন’ পডকাস্ট অনুসরণ করুন।
আপনার কোনো প্রশ্ন বা নতুন কোনো বিষয় নিয়ে আমাদের পডকাস্টে শুনতে চাইলে australiaexplained@sbs.com.au
-এ আমাদের ইমেল করুন।






